যুদ্ধের প্রভাবে হরমুজে জাহাজ চলাচল নেমেছে মাত্র ২০ শতাংশেঠাকুরগাঁও-১ আসন শূন্য ঘোষণানতুন রাষ্ট্রপতিকে শুভকামনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বার্তাজাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধাভ্যাপসা গরম আরও ৪-৫ দিন, বৃষ্টির বার্তা
No icon

শ্রমজীবীদের কাজের মাধ্যমেই এ দেশে আল্লাহর দ্বীন কায়েম হবে:  আ ন ম শামসুল ইসলাম ( সাবেক এমপি)

বার্তা প্রেরক
আতাউর রহমান 
সিনিয়র রিপোর্টার

বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সভায় সাবেক সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ  ফেডারেশনের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি আ ন ম শামসুল ইসলাম বলেন,
শ্রমজীবীদের কাজের মাধ্যমেই এ দেশে আল্লাহর দ্বীন কায়েম হবে, দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি পরিবহন খাত। পরিবহন ব্যবস্থা দুর্বল হলে দেশের অর্থনীতিও সচল রাখা সম্ভব নয়। তাই পরিবহন শ্রমিকদের অধিকার, নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।
গতকাল শুক্রবার (২১ আগস্ট) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি কবির আহমদ এবং সঞ্চালনা করেন কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম।
আ ন ম শামসুল ইসলাম বলেন, শিল্পের পণ্য মানুষের কাছে এবং কৃষকের উৎপাদিত পণ্য বাজারে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে পরিবহন শ্রমিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। অথচ একজন চালক বা পরিবহন শ্রমিককে অনেক সময় দৈনিক ৮ ঘণ্টার বেশি, এমনকি ১৬ থেকে ১৮ ঘণ্টাও কাজ করতে হয়। তাদের কর্মপরিবেশ ও জীবনমান উন্নয়নে সংগঠনকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।
তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে শ্রমিকরা পরিবার নিয়ে নানা সংকটে রয়েছেন। সন্তানদের পড়াশোনা ও পরিবারের প্রয়োজনীয় ব্যয় মেটাতেও তারা হিমশিম খাচ্ছেন। এসব সমস্যা সমাধানে শ্রমিকদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, পরিবহন শ্রমিকদের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করতে সংগঠনের পক্ষ থেকে কাজ করতে হবে। শ্রমিকদের কল্যাণ ও পরিবহন খাতকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনকে দেশের অন্যতম শক্তিশালী শ্রমিক সংগঠনে পরিণত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
সভাপতির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় সভাপতি কবির আহমদ বলেন, বাংলাদেশ পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনকে দেশের এক নম্বর শ্রমিক সংগঠনে পরিণত করার জন্য পরিকল্পিতভাবে কাজ করা হচ্ছে। শ্রমিকদের ওপর অবৈধ হয়রানি ও নির্যাতন কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। কোনো শ্রমিক সমস্যায় পড়লে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তার পাশে দাঁড়াবেন।
তিনি বলেন, পরিবহন খাতকে মাদকমুক্ত করতে নিয়মতান্ত্রিকভাবে কাজ চলছে। পাশাপাশি পরিবহন খাতে অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে। শ্রমিকদের কাছ থেকে আদায় করা কোনো চাঁদার অর্থ মন্ত্রী, এমপি বা কোনো রাজনৈতিক নেতার বাসাবাড়িতে যাওয়ার সুযোগ থাকা উচিত নয়।
সভায় পরিবহন শ্রমিকদের মর্যাদা, অধিকার ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি শ্রমিকদের কল্যাণে সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও রাজশাহী অঞ্চল পরিচালক মাওলানা আব্দুস সবুর, সহ-সভাপতি আবু তালেব চৌধুরী, জাহাঙ্গীর আলম, এইচ এম আতিকুর রহমান, সাইদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জুবায়ের আল মাহমুদসহ কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির নেতৃবৃন্দ।