→ ঢাকার আকাশ মেঘলা থাকবে, বৃষ্টি নিয়ে যা জানা গেল→ সংবিধান সব ধর্মাবলম্বীর নিরাপত্তা দিতে বাধ্য: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী→ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ, অফিস খোলা আজ→ দুর্গাপূজা-লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষে আখাউড়া স্থলবন্দর সাত দিন বন্ধ→ অফিসার্স ক্লাব থেকে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মরদেহ উদ্ধার
No icon

২০১৯ সালের সেই স্মৃতি ফেরানোর আশা বাংলাদেশের

৭ বছর! সময়টা নেহাত কম নয়। এই সময়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটে কত জয়, কত পরাজয়, কত স্বপ্নভঙ্গের গল্প। বদলেছে অধিনায়ক, বদলেছে দল। কিন্তু একটি স্মৃতি আর নতুন করে লেখা হয়নি। ফাইনাল জিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্মৃতি।

বাংলাদেশের ছেলেদের জাতীয় ক্রিকেট দলের স্মৃতির অ্যালবামে এমন ছবি মাত্র একটি। ৯ বছর আগে আয়ারল্যান্ডে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের শিরোপা জয়। এরপর আর কোনো ত্রিদেশীয় সিরিজেই খেলা হয়নি বাংলাদেশের।

অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান হচ্ছে আজ। আবুধাবিতে শুরু হচ্ছে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ। বিকেল সাড়ে পাঁচটায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বাংলাদেশের অভিযান শুরু। তৃতীয় দল আফগানিস্তান।প্রতিপক্ষের নাম শুনে শিরোপার স্বপ্ন দেখা যেতেই পারে। কিন্তু বাস্তবতা সতর্ক করছে। গত জুলাইয়ে জিম্বাবুয়ের কাছে ওয়ানডে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। গত অক্টোবরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আফগানিস্তানের কাছে হয়েছিল ধবলধোলাই। সেই বিপর্যয়ে সরাসরি বিশ্বকাপ খেলা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল।

তবে এরপর ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। টানা চারটি ওয়ানডে সিরিজ জিতে র‍্যাঙ্কিংয়ের সেরা আটে থেকে নিশ্চিত করেছে আগামী বছরের বিশ্বকাপে সরাসরি খেলা। মাঝে ছন্দপতন শুধু জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজ হার।

বদল এসেছে নেতৃত্বেও। মেহেদী হাসান মিরাজকে সরিয়ে আগামী বছরের অক্টোবরের বিশ্বকাপ পর্যন্ত ওয়ানডে অধিনায়ক করা হয়েছে লিটন দাসকে।

বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডারের পুরোনো ধাঁধারও অনেকটা সমাধান মিলেছে লিটনকে চার নম্বরে নামিয়ে। তাঁর প্রত্যাবর্তনটাও নাটকীয়। ২০২৪ ও ২০২৫ সালে ৬ ওয়ানডেতে করেছিলেন মাত্র ৬ রান! এরপর এক বছর দলের বাইরে। ফিরে এ বছর ৯ ম্যাচে করেছেন ৩০০ রান।

এখন ইনিংস শুরু করছেন তানজিদ হাসান ও সৌম্য সরকার। এরপর নাজমুল হোসেন, লিটন ও তাওহিদ হৃদয়। নিচে মোসাদ্দেক হোসেন ও মিরাজ। ব্যাটিং অর্ডার এখন অনেকটাই গোছানো।

বোলিংয়ে বাংলাদেশের বড় শক্তির জায়গা পেস আক্রমণ। কাকে রেখে কাকে খেলানো হবে, সেটিই যেন বড় প্রশ্ন!

এশিয়ান গেমসে টি-টুয়েন্টি সংস্করণে দুই ম্যাচ খারাপ করার পর মোস্তাফিজুর রহমানের মতো অভিজ্ঞ পেসারেরও একাদশে জায়গা পাওয়া নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। মোস্তাফিজ না খেললেও হাসান মাহমুদ, শরীফুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদকে নিয়ে শক্তিশালী পেস আক্রমণ সাজানোর সুযোগ আছে বাংলাদেশের। অর্থাৎ পেস বোলিং নিয়ে অন্তত দুশ্চিন্তা নেই। বাংলাদেশের চিন্তার জায়গাটা এখন স্পিন বিভাগ।

অফ স্পিনার মিরাজের জায়গা নিয়ে তেমন প্রশ্ন নেই। কিন্তু তাঁর সঙ্গী কে হবেন? একজন বাঁহাতি স্পিনার, নাকি রহস্য স্পিনার আলিস আল ইসলাম?

দক্ষিণ আফ্রিকার বাউন্সি উইকেটে বাঁহাতি স্পিনারদের কার্যকারিতা নিয়ে সংশয় আছে। সেই বিবেচনায় একাদশে জায়গা পাওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন আলিস।

তবে একাদশের সমীকরণ যা-ই হোক, বাংলাদেশের সামনে প্রথম পরীক্ষাটা মোটেও সহজ নয়। সিকান্দার রাজার জিম্বাবুয়েকে হালকাভাবে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।