আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) থেকে দুজন প্রতিনিধি আসতে চেয়েছিলেন বাংলাদেশে। যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুলসহ সরকারের উচ্চ পর্যায়ে দেখা করে আগামী টি২০ বিশ্বকাপের বর্তমান চিত্রটা তুলে ধরার লক্ষ্য তাদের।
বিশ্বকাপ ভেন্যু পরিবর্তনে লজিস্টিক ও কৌশলগত
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের পর এবার ‘নো হ্যান্ডশেক’ দেখা গেল বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচেও। আজ বুলাওয়েতে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ম্যাচে টসের সময় হাত মেলাননি বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক জাওয়াদ আবরার ও ভারত অধিনায়ক আয়ুশ মাহাত্রে। তাঁরা একে অপরকে এড়িয়ে গেছেন।
কোন দলের
ক্রিকেটারদের দাবির মুখে অর্থ কমিটির প্রধানের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হচ্ছে বোর্ড পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে। অনলাইনে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় বিসিবি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছে সূত্র। কিছুক্ষনের মধ্যেই এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নতুন পরিচালক আসিফ আকবর বলেছেন, ‘দুই-একটা বিশ্বকাপ না খেললে কিছু যায় আসে না।’
মোস্তাফিজ ইস্যুতে ভারতে গিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ। আইসিসির কাছে চিঠির মাধ্যমে বিসিবি জানিয়েছে, বিশ্বকাপে বাংলাদেশ
ছেলে হাসান ইসাখিল আসতে চাইছিলেন না সংবাদ সম্মেলনে। বাবা মোহাম্মদ নবী সাহস জোগালেন তাঁকে। এর আগেই অবশ্য সম্প্রচারকদের অনুষ্ঠানে দুজন বসেছিলেন একসঙ্গে।
‘একসঙ্গে’ কথাটা আজ মোহাম্মদ নবী আর হাসান ইসাখিলের জন্য ঘুরেফিরে এসেছে বারবারই। এর আগে
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের অংশগ্রহণ নিয়ে আরও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ভারতে গেলে বাংলাদেশ যে ধরনের নিরাপত্তা শঙ্কায় পড়তে পারে, তা উল্লেখ করে সম্প্রতি আইসিসির নিরাপত্তা বিভাগ থেকে একটা চিঠি দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি)।
হঠাৎ করেই গত পরশু মধ্যরাতে খবর ছড়িয়ে পড়ে যে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে না চাওয়া বাংলাদেশকে নিজেদের অনমনীয় অবস্থানের কথা জানিয়েছে আইসিসি। বিশ্বকাপ খেললে ভারতে গিয়েই খেলতে হবে, না হলে পয়েন্ট হারানোর ঝুঁকি থাকবে। তবে রাত
ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতাদের দাবির মুখে মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই)।
এই ঘটনার পরই দুই দেশের ক্রিকেট সম্পর্কে ফাটল ধরে। আগামী মাসে যৌথভাবে ভারত ও শ্রীলংকায় টি-টোয়েন্টি



