রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প পরিণত হয়েছে মৃত্যু উপত্যকায় । চলছে নিখুঁত টার্গেট কিলিং । মাদকের কোটি টাকার ট্রানজিট, চাঁদাবাজি আর ব্লকে ব্লকে একচ্ছত্র অপারেশনাল কমান্ড প্রতিষ্ঠার রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ে গত তিন বছরেই প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৫০ জন
বাংলাদেশ থেকে তিন লাখ এবং মালয়েশিয়া থেকে পাঁচ হাজার রোহিঙ্গাকে নিজ দেশে ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে মিয়ানমারের জান্তা সরকার। গত বুধবার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম সাংবাদিকদের এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।প্রধানমন্ত্রী জানান, মিয়ানমারের সামরিক জান্তার
কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে মাদ্রাসার পাঁচ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও আট শিক্ষার্থী।বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে উখিয়ার ক্যাম্প-৫-এর ইরানি পাহাড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত
খিন মং মিয়ানমারের মংডুর বাসিন্দা ছিলেন। ২০১৭ সালে সেখানে রক্তক্ষয়ী সহিংসতা শুরু হলে জীবন বাঁচাতে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেন। তখন তাঁর বয়স ছিল ২৭ বছর। মংডুর জন্মভিটা থেকে কক্সবাজারে আসার সময় তাঁর
কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে নুর কামাল (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার মধ্যরাতে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের নয়াপাড়া ২৬ নম্বর নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আই-ব্লকে এ
বাংলাদেশের দুই প্রতিবেশী ভারত এবং মিয়ানমার। দেড় বছর ধরে এ দুই প্রতিবেশীর সঙ্গেই সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছে বাংলাদেশের।মিয়ানমারে জাতিগত সহিংসতায় বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে মানবিক আশ্রয় নিয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। এই বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশের পক্ষ
কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের আশ্রয়শিবিরে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের হাতে মোবাইল ফোনের সিম কার্ড দেওয়া হচ্ছে। সরকারি অনুমোদনের ভিত্তিতে আজ সোমবার শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে আনুষ্ঠানিক এ কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথম দিন
বাংলাদেশে থাকা বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের জন্য জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) মাধ্যমে ৩৪ লাখ মার্কিন ডলার সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জাপান। সোমবার ঢাকার জাপান দূতাবাস এবং ডব্লিউএফপির পৃথক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।ডব্লিউএফপি







