আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) নিজ নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৫ আসনে (মিরপুর-কাফরুল) মিরপুর ১০ এর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে দুপুর আড়াইটায় জনসভা আয়োজনের
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে প্রচার চালাতে জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে ১৭ জেলা সফর করবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ সময় তিনি বেশ কয়েকটি সমাবেশে বক্তব্য দেবেন। তারেক রহমানের
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের আসন বন্টন চূড়ান্ত হয়েছে। সমঝোতা অনুযায়ী, জামায়াত ২২০, এনসিপি ৩০, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২৩, খেলাফত মজলিস ১৩, এলডিপি ৭, এবি পার্টি ৪, নেজামে ইসলাম পার্টি ৩ এবং বিডিপি
জরুরি বৈঠকে বসেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ। আজ শনিবার সকাল ৯টায় মগবাজার দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠকটি শুরু হয়।জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বিষয়টি নিশ্চিত
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী নির্ধারণে দেশের উত্তরাঞ্চলকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। ভোট সামনে রেখে ১০ দল মিলে জোট করলেও শরিক দলগুলোতে এই অঞ্চলের আসনে খুব কম ছাড় দিয়েছে। রংপুর বিভাগের ৩৩টি আসনের
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটে ২৫৩ আসনে সমঝোতা হয়েছে। সমঝোতায় জামায়াতকে ১৭৯, এনসিপি ৩০, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশ ২০, খেলাফত মজলিশ ১০, এবি পার্টি ৩, এলডিপি ৭, বিডিপি ২, নেজামে ইসলাম পার্টিকে
শেষ পর্যন্ত ভেঙেই গেল জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ইসলামি জোট। জোটের দ্বিতীয় বৃহত্তম শরিক দল চরমোনাই পীর মুফতি রেজাউল করিমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন জামায়াত জোটে থাকছে না। আজই আনুষ্ঠানিকভাবে এটা জানিয়ে দেয়ার কথা রয়েছে।
গত এক সপ্তাহ ধরে





