হরমুজকে ঘিরে সংঘাত আরও তীব্র, পাল্টাপাল্টি হামলায় মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র-ইরানইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ ঘিরে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বিতর্ক এড়িয়ে চলার আহ্বানসাত জেলায় এখনও পানিবন্দি দেড় লাখের বেশি পরিবারদেশের রিজার্ভ ৩৬.৫৫ বিলিয়ন ডলারবন্যাকবলিত ১১ জেলায় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল
No icon

ইসরায়েলি সংসদ ভেঙে দিয়ে অক্টোবরে নির্বাচন

ভেঙে দেওয়া হচ্ছে ইসরায়েলের আইনসভা ‘নেসেট’। আগামী শুক্রবার (১৭ জুলাই) আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ ভেঙে দেওয়ার পর আগামী ২৭ অক্টোবর দেশটিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের নজিরবিহীন হামলার পর ইসরায়েলে এটিই প্রথম জাতীয় নির্বাচন। এই নির্বাচনের মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের জনপ্রিয়তার আসল চিত্র ফুটে উঠবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সর্বশেষ নির্বাচনে নেতানিয়াহুর দল এককভাবে সর্বোচ্চ আসন পেলেও সরকার গঠনের জন্য তাকে উগ্র ডানপন্থিদের সঙ্গে জোট করতে হয়েছিল। এর ফলে ইসরায়েলের ইতিহাসে সবচেয়ে উগ্রপন্থি সরকার গঠিত হয়, যাদের মূল লক্ষ্যই ছিল ফিলিস্তিনিদের ভূমি দখল ও তাদের মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা।

দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, বর্তমান সংসদের আর মাত্র কয়েকটি অধিবেশন বাকি রয়েছে। তবে শুক্রবার সংসদ ভেঙে দেওয়ার আগেই নেতানিয়াহুর জোট সরকার কিছু বিতর্কিত আইন পাস করানোর মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে, যাতে নির্বাচনে সাধারণ ভোটারদের আকৃষ্ট করা যায়।

একই সঙ্গে আশঙ্কা করা হচ্ছে, নির্বাচনের আগে ফিলিস্তিনিদের ওপর সহিংসতা আরও বাড়তে পারে। কারণ, ভোটের মাঠে সুবিধা পেতে পশ্চিমতীরে ফিলিস্তিনিদের ভূখণ্ড দখল করে নতুন নতুন অবৈধ বসতি স্থাপনের গতি বাড়িয়ে দিতে পারে উগ্রপন্থি এই সরকার।

তবে বিভিন্ন সাম্প্রতিক জরিপ বলছে, এবারের নির্বাচনের মাধ্যমে ৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহু শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রিত্ব হারাতে পারেন। যদিও এর আগেও একাধিকবার সব জরিপকে ভুল প্রমাণিত করে ক্ষমতায় টিকে থাকার রেকর্ড রয়েছে এই ঝানু রাজনীতিবিদের।