আজ বিশ্বে বায়ুদূষণে শীর্ষে বাগদাদ, ঢাকার অবস্থান কত?দুপুরের মধ্যে ১০ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টির শঙ্কাইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি ‘লাইফ সাপোর্টে’ আছে: ট্রাম্পতিনটি প্রশাসনিক জোনে ভাগ হবে তিতাস গ্যাসভালো ঈদযাত্রার চেষ্টায় মন্ত্রণালয়: সড়কমন্ত্রী
No icon

আর্থিক খাত এখন ‘বেদনাদায়ক’ অবস্থায়: অর্থমন্ত্রী

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, দেশের আর্থিক খাত বর্তমানে একটি ‘বেদনাদায়ক’ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ব্যাংক ও শেয়ারবাজারে অতীতে ঘটে যাওয়া নানা সংকটের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, এসব সমস্যা কাটিয়ে উঠতে সরকার বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) ঢাকার একটি পাঁচতারকা হোটেলে বাংলাদেশ স্টার্টআপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি পিএলসি (বিএসআইসি) উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ অর্থনীতির নতুন এক পর্যায়ে প্রবেশ করেছে এবং স্টার্টআপ খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর মাধ্যমে সৃজনশীল অর্থনীতিকে আরও এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। তিনি আশ্বাস দেন, এই বিনিয়োগ কার্যক্রমে কোনো রাজনৈতিক প্রভাব থাকবে না এবং আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠায় সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।তিনি আরও জানান, ব্যাংকিং খাতের বিদ্যমান সংকট সমাধানে সরকার জেপি মরগ্যান, বিশ্বব্যাংক ও আইএফসির সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে।অনুষ্ঠানে দেশের ৩৯টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের অংশীদারিত্বে গঠিত ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্ল্যাটফর্ম বিএসআইসি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। প্রাথমিকভাবে প্রায় ৪২৫ কোটি টাকার তহবিল নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি চালু হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশের স্টার্টআপ খাতে দেশীয় বিনিয়োগ বাড়াতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 

জানা গেছে, অংশগ্রহণকারী ব্যাংকগুলো প্রতি বছর তাদের নিট মুনাফার একটি অংশ এই তহবিলে যুক্ত করবে, ফলে এটি ধারাবাহিকভাবে সম্প্রসারিত হবে। বিএসআইসির মাধ্যমে সিড, লেট-সিড ও সিরিজ-এ পর্যায়ের স্টার্টআপে বিনিয়োগ করা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. মোস্তাকুর রহমান বলেন, আর্থিক খাতের উন্নয়নে উদ্ভাবন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এ ধরনের প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই বিনিয়োগের সুফল প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছেও পৌঁছাবে এবং ক্যাশলেস অর্থনীতি গঠনে সহায়তা করবে।

উল্লেখ্য, ২০১০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত দেশের স্টার্টআপ খাতে ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি বিনিয়োগ এলেও দেশীয় মূলধনের অংশ এখনও তুলনামূলকভাবে কম।