ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতারাজধানীতে ব্যাপক শিলাসহ বজ্রবৃষ্টিহরমুজ প্রণালি চালু করতে ৩৫ দেশকে নিয়ে বৈঠক করবে যুক্তরাজ্যফ্যামিলি কার্ডের অর্থের সংস্থান রেখে বাজেট সাজানো হবেঅনলাইনে এক দিন স্কুল, দোকানপাট রাত ৮টায় বন্ধের চিন্তা
No icon

ফ্যামিলি কার্ডের অর্থের সংস্থান রেখে বাজেট সাজানো হবে

সমাজের বঞ্চিত ও সাধারণ মানুষকে অর্থনীতির মূল ধারায় নিয়ে আসা ও ফ্যামিলি কার্ড বা কৃষক কার্ডের মতো সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিগুলো চালু রাখা হবে। সেজন্য অর্থের সংস্থান রেখে আগামী বাজেট সাজানো হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।গতকাল বুধবার রাজধানীর আগারগাঁও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) আগামী অর্থবছরের বাজেট ও বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এসব কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারকে তিনটি বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। যেমন বিগত সরকারের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে উদ্ধার করা, নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন ও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি তেলের বাড়তি দামের কারণে সৃষ্ট অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ সামলানো। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সম্পদ আহরণ বা ‘রিসোর্স মোবালাইজেশন বড় হাতিয়ার।

বাজেট বাস্তবায়নে টাকা ছাপানোর ওপর নির্ভর করা হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার ঋণনির্ভর অর্থনীতির চেয়ে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতির দিকে বেশি মনোযোগ দিচ্ছে। কর-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে হলে অর্থনীতিকে আগে শক্তিশালী করতে হবে। সেই শক্তির মূল উৎস হবে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি।অন্তর্বর্তী সরকার দেশের বড় কয়েকটি শিল্পগোষ্ঠীর কর ফাঁকি উদঘাটনের কাজ শুরু করেছিল। ফাঁকি দেওয়া কিছু রাজস্ব আদায়ও করা হয়েছে। বর্তমান সরকার এসব কর ফাঁকির কার্যক্রম চলমান রাখবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে আমির খসরু বলেন, রাজস্ব আদায়ে বড় কোম্পানিগুলোর কর ফাঁকি বন্ধে তৎপর হয়েছে সরকার। এগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে।ঘন ঘন নীতিমালা পরিবর্তন বন্ধের আশ্বাস দিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগকারীরা যেন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করতে পারেন, সেজন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা পর্যন্ত নীতি অপরিবর্তিত রাখা হবে। এ ছাড়া বিনিয়োগের পথ সুগম করতে বড় ধরনের ডিরেগুলেশন বা আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা কমানোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

আমির খসরু বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো সমাজের বঞ্চিত ও সাধারণ মানুষকে অর্থনীতির মূল ধারায় নিয়ে আসা। ফ্যামিলি কার্ড বা কৃষক কার্ডের মতো সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিগুলো চালু থাকবে। বাজেটের দোহাই দিয়ে সাধারণ মানুষকে উন্নয়নের সুবিধার বাইরে রাখা হবে না। তাদের পাওনা নিশ্চিত করেই বাজেট প্রণয়ন করা হচ্ছে।অর্থমন্ত্রী আরও জানান, রপ্তানিতে কেবল তৈরি পোশাকশিল্পে নির্ভরশীল না থেকে অন্য খাতকেও বন্ডেড ওয়্যারহাউস ও ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির মতো সুবিধা দেওয়ার কথা ভাবছে সরকার। মধ্যপ্রাচ্য সংকটকে কেন্দ্র করে অর্থনীতিতে যেসব সংকট তৈরি হয়েছে তা মোকাবিলায় বিভিন্ন উদ্যোগের অংশ হিসেবে কয়কেটি দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা চলছে।