জাতীয় নির্বাচন যত দ্রুত সম্ভব আয়োজন করাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারগাজার স্কুলে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ২৭এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাল শিক্ষা বোর্ডব্যাংককে আজ ইউনূস-মোদি বৈঠকএপ্রিলে বাড়বে তাপমাত্রা, রয়েছে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা
No icon

এপ্রিলে বাড়বে তাপমাত্রা, রয়েছে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা

ষড়ঋতুর বাংলাদেশে প্রতিবছর এপ্রিল মাস থেকে শুরু হয় তাপপ্রবাহ। এবারও এপ্রিলের শুরুতেই মৃদু ও মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ শুরু হয়েছে। আবহাওয়া অফিসের তথ্য বলছে, গত ২৭ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে তাপপ্রবাহ যা অব্যাহত রয়েছে। এ ছাড়া চলতি মাসে এক থেকে দুটি লঘুচাপের সম্ভাবনা রয়েছে যা থেকে একটি নিম্ন চাপ অথবা ঘূর্ণিঝড় হতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। চলতি মাসের গড় তাপমাত্রা থাকবে ৩৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।গতকাল বৃহস্পতিবার আবহাওয়াবিদ শাহানাজ সুলতানা এপ্রিল মাসের আবহাওয়ার পূর্বাভাস তুলে ধরে বলেছেন, এপ্রিল মাসে ২ থেকে ৪টি মৃদু অথবা মাঝারি ধরনের এবং ১ থেকে ২টি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া এ মাসে ১ থেকে ২টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। যার মধ্যে একটি নিম্নচাপ অথবা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।বর্তমানে রাজশাহী বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। রাজশাহী বিভাগের যেসব জেলায় মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে চলেছে সেগুলোর

মধ্যে রয়েছে রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, নওগাঁ, দিনাজপুর, নীলফামারী। এ ছাড়া মৌলভীবাজার, রাঙ্গামাটি, যশোর ও চুয়াডাঙ্গা জেলাসমূহের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে যা অব্যাহত থাকবে।কত তাপমাত্রা থাকলে কী বলা হয় : কোনো জেলার তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৭.৯ ডিগ্রি হলে সেখানে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে ধরা হয়। আর তাপমাত্রা ৩৮ থেকে ৩৯.৯ হলে মাঝারি তাপপ্রবাহ ধরা হয়। এ ছাড়া কোনো জেলায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি থেকে ৪১.৯ ডিগ্রি দেখা দিলে সেখানকার আবহাওয়া তীব্র তাপপ্রবাহ ধরা হয়। ৪২ ডিগ্রি থেকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ ধরা হয়।এপ্রিল মাসের কখন কী সম্ভাবনা : ৫ থেকে ৬ তারিখের দিকে দেশের কোথাও কোথাও বৃষ্টির সম্ভবনা দেখছেন আবহাওয়াবিদরা। এরপর আবার ১০ থেকে ১২ এপ্রিলের মধ্যে বৃষ্টির সম্ভবনা রয়েছে। এরপর থেকেই বাড়তে থাকবে তাপমাত্রা। এ ছাড়া এ মাসে ৫ থেকে ৭টি বজ্রসহ শিলা বৃষ্টির সম্ভবনাও রয়েছে। তা ছাড়া ১ থেকে ৩ দিন কালবৈশাখীর আশঙ্কা রয়েছে।কেমন ছিল ২০২৪ সালের তাপপ্রবাহ : গত বছর এপ্রিল থেকে মে মাস পর্যন্ত ৩৫ দিন দেশে তাপপ্রবাহ ছিল। গত বছরের তাপমাত্রা ছিল বিগত ৭৬ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।