বিশ্বে বসবাসের অযোগ্য শহরের তালিকায় তৃতীয় ঢাকাইরানের ৮০ স্থাপনায় মার্কিন হামলা, উত্তপ্ত হরমুজ৮০ লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, ফের শুরু হচ্ছে ইরান যুদ্ধ?১৯ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা, সতর্কসংকেতহামের পরবর্তী জটিলতায় চোখের সমস্যায় রোগীরা
No icon

গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে নতুন করে মুখোমুখি ট্রাম্প-ডেনমার্ক

ন্যাটো সম্মেলনের আগে গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও দাবি করেছেন, ডেনমার্কের অধীনে থাকা স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকা উচিত।

মঙ্গলবার তুরস্কে উত্তর আটলান্টিক জোটের (ন্যাটো) সম্মেলনের আগে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে বৈঠকের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং এ বিষয়ে তার অবস্থান পরিবর্তন হয়নি।

ট্রাম্পের মন্তব্যের পর ডেনমার্ক ও ইউরোপের কয়েকটি দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক টানাপোড়েন আরও বেড়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, গ্রিনল্যান্ডের উন্নয়ন ও নিরাপত্তায় ডেনমার্ক যথেষ্ট অর্থ ব্যয় করছে না। পাশাপাশি গ্রিনল্যান্ডের আশপাশে চীন ও রাশিয়ার জাহাজের উপস্থিতিকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য উদ্বেগের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, রাশিয়ার হুমকি মোকাবিলায় ডেনমার্ককে রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র বড় ধরনের ব্যয় করলেও গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে কোপেনহেগেনের সহযোগিতা পর্যাপ্ত নয়।

ট্রাম্পের বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আঙ্কারায় এর জবাব দেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন। তিনি বলেন, মিত্র দেশগুলোর উচিত ডেনিশ রাজ্যের সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান দেখানো।

ফ্রেডেরিকসেন স্পষ্ট করে বলেন, গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানা পাওয়ার বিষয়টি কখনোই বাস্তবায়িত হবে না। তিনি জানান, গ্রিনল্যান্ড, উত্তর মেরু অঞ্চল বা সুদূর উত্তরাঞ্চল নিয়ে ন্যাটো সম্মেলনে আলোচনার কোনো পরিকল্পনা নেই।

এদিকে গ্রিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুতে এগেদে জানিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার কেবল সেখানকার জনগণের। তিনি বলেন, সার্বভৌমত্ব বজায় রেখে মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ নতুন নয়। এর আগেও ওয়াশিংটন ও ডেনমার্কের মধ্যে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। ট্রাম্পের সর্বশেষ মন্তব্যের পর কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই অঞ্চলটি আবারও আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে। তথ্যসূত্র: রয়টার্স