→ কাল রাজশাহী সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী→ আজ দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ→ মঙ্গলবার থেকে টানা ৫ দিন বন্ধ ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠান→ বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার আজ→ গাজায় পণ্য প্রবেশ বন্ধ, বাড়ছে খাদ্যের দাম ও সংকটের শঙ্কা
No icon

বিয়ের রাত থেকেই স্বামী–স্ত্রীর মনোমালিন্য শুরু...

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মোহে আমাদের সম্পর্কগুলো কি দিন দিন মরচে পড়ে যাচ্ছে? বর্তমান সময়ে সম্পর্কের এই দূরত্ব, টানাপোড়েনের প্রশ্নটিকে কেন্দ্র করেই চরকির নতুন ওয়েব সিনেমা হ্যাপিলি ম্যারিড। প্ল্যাটফর্মটির ‘মিনিস্ট্রি অব লাভ’ প্রকল্পের সিনেমাটি বানিয়েছেন জাহিদ প্রীতম। এতে প্রথমবার জুটি বেঁধেছেন আরিফিন শুভ ও কেয়া পায়েল। কেমন জমল তাঁদের ‘বিবাহিত জীবন’?

কী আছে এর গল্পে
আনিস (আরিফিন শুভ) বিদুৎ অফিসের প্রকৌশলী। বয়স ৩৫ বছর পেরোলেও বিয়ে করতে চান না। পাত্রী দেখানো হয়। কিন্তু সব পরিকল্পনাই ব্যর্থ। একদিন মেয়ের বাবা (সালাহউদ্দিন লাভলু) কায়দা করে মেয়ে অনামিকাকে (কেয়া পায়েল) দেখান। হবু শ্বশুরের এই গোয়েন্দাগিরি বুঝতে পারে না আনিস। কিন্তু তাঁর মেয়েকে বিয়ের জন্য মনে ধরে যায়। কিন্তু তাঁদের বয়সের ব্যবধান বেশ। দুজন দুই প্রজন্মের। শুরুতে এসব কোনো বাধা হয় না। বিয়ে হয়ে যায়। এটাকেই ‘হ্যাপিলি ম্যারিড’ ধরে নিয়ে ভুল করবেন। এটা মাত্র গল্পের শুরু।

নবদম্পতির বিয়ের দিন থেকেই জটিলতা বাড়তে থাকে। বাসরঘরে মন খারাপ করে বসে থাকে কনে অনামিকা। সদ্য টিনেজ পার করা মেয়েটির মনের ভাবনা বোঝার কথা নয় স্বামীর। অনামিকা রাতেই স্বামীকে বলে দেয়—‘এটা কোনো বিয়ে হলো?’ তার স্বপ্ন ছিল, পাত্র আসবে ঘোড়ায় চড়ে, রাজপুত্রের মতো। সবার তাক লেগে যাবে। পাত্রী কত আশা নিয়ে বসে আছে বিয়ে ছবি ফেসবুক পোস্ট করবে। প্রচুর লাইক কমেন্ট আসবে সেই পোস্টে। সেখানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করার মতো বিয়ের কোনো ছবিই পাওয়া যায় না। আনিস বুঝতে পারে, বউয়ের তার চেয়ে ফেসবুক–ইনস্টাগ্রাম–প্রীতিই বেশি। তবু সে শুরুতে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। দুজনের মিল অমিল আর মানসিক দ্বন্দ্বের শুরু বাসরঘর থেকেই। এরপর কী হয়, তা নিয়েই এগিয়েছে সিনেমাটির গল্প। সিনেমাটির গল্পের সঙ্গে এই সময়ের যোগ আছে; সে কারণেই হয়তো প্রিমিয়ারে আরিফিন শুভ আগেই বলেছিলেন, ‘যাঁরা বিয়ে করেন নাই, তাঁদের এই সিনেমা দেখে বিয়ে করতে মন চাইবে। বিবাহিত অবিবাহিত সবাইকে এই সিনেমা ভাবাবে।’