→ কাল রাজশাহী সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী→ আজ দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ→ মঙ্গলবার থেকে টানা ৫ দিন বন্ধ ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠান→ বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার আজ→ গাজায় পণ্য প্রবেশ বন্ধ, বাড়ছে খাদ্যের দাম ও সংকটের শঙ্কা
No icon

জুলাইকে ধারণ করে না বিরোধীদল, তাই আমন্ত্রণ পেয়েও আসেনি: প্রধানমন্ত্রী

বর্তমান বিরোধী দল শুধু বিরোধিতার খাতিরে বিরোধিতা করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘বিরোধীদল জুলাইকে ধারণ করে না। তাই আমন্ত্রণ পেয়েও ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেননি বিরোধীদলীয় নেতা।’

আজ সোমবার রাজধানীর ওসমানী উদ্যানে ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ এবং ‘ওসমানী উদ্যানের আধুনিকায়ন’ কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ইদানীং বিরোধীদল বিরোধিতা করার জন্যই বিরোধিতা করছে; আমরা যদি পুরাতন সংস্কৃতিতে ফিরে যাই তাহলে দেশকে কীভাবে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবো? অবশ্যই বিরোধিতা করবে, তবে তা হতে হবে গঠনমূলক। সরকারের বিরোধিতা করতে গিয়ে যদি বিরোধীদল স্বৈরাচারের ফিরে আসার পথ উন্মুক্ত করে দেয়-তা মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাইয়ের সঙ্গে গাদ্দারি হবে।’

তিনি বলেন, ‘জুলাই ও একাত্তরের শহীদদের লক্ষ্য ছিল অভিন্ন-এ দেশের মানুষ যেন সুশিক্ষা পায় এবং পরিবেশ ভালো থাকে। তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশ গণতন্ত্রে ফিরে এসেছে।’

তারেক রহমান বলেন, ‘বিশ্বে যেভাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়, সেভাবেই এ দেশের মানুষ ভোটের মাধ্যমে বিএনপিকে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। বিএনপি যেভাবে একাত্তরকে ধারণ করে, সেভাবেই জুলাইকে ধারণ করে।’

দাওয়াত পেয়েও জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের অনুষ্ঠানে বিরোধীদল যোগ না দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রের জন্য সব বিষয়ে একমত হওয়া যাবে না। কিন্তু দেশের স্বার্থে দ্বিমত পোষণ করার কারণ নেই।’

তিনি বলেন, ‘তাদের যদি আমাদের সঙ্গে একই মঞ্চে বসায় আপত্তি থাকে, চাইলে তো শহীদ পরিবারের সঙ্গেও বসতে পারতেন। অথচ তারা ভোট দেওয়ার কারণেই তো আমরা সরকারে, আর তারা বিরোধীদলে।’ 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনের আগে নিশ্চয়ই বর্তমান বিরোধীদলও জনগণের কাছে গিয়েছে। আমরাও গিয়েছি। জনগণই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আগামী পাঁচ বছর কারা রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন। সে হিসেবে তারা হয়তো বিএনপিকে সরকারে বসিয়েছে। আবার বিরোধীদলকেও সেভাবে সমর্থন দিয়েছে। আমরা মনে করি আজকের অনুষ্ঠানে না এসে বিরোধীদল শহীদ পরিবারগুলোকেও অবজ্ঞা করেছে।’ 

সংবিধান সংশোধন নিয়ে বিরোধীদলের বক্তব্য থাকতেই পারে জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘এ নিয়ে ফয়সালা করতেই সরকার ও বিরোধীদলকে জনগণ সংসদে পাঠিয়েছে। জনগণ চায় দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা।’ এ সময় রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করে জনগণের জীবনযাত্রা ব্যাহত না করার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খান, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন প্রমুখ।