→ খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশকে ৩০০ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক→ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ৪ দিন বৃষ্টির আভাস→ ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে সাধারণ ছুটি→ দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাত ১০টা পর্যন্ত শপিংমল খোলা থাকবে→ একযোগে ৩০ ব্যাংকের কার্ড ও এটিএম সেবা ব্যাহত
No icon

দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাত ১০টা পর্যন্ত শপিংমল খোলা থাকবে

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাত ১০টা পর্যন্ত শপিংমল, মার্কেট ও দোকান খোলা রাখা যাবে। আজ সোমবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় বিদ্যুৎ বিভাগ সমন্বয়-২ উপসচিব সোনিয়া বিনতে তাবিব স্বাক্ষরিত আদেশে এ তথ্য জানা যাবে।আদেশে বলা হয়, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা ২০২৬ উপলক্ষে আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন শপিংমল, মার্কেট ও দোকানসমূহ বেলা ১১টা হতে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। পরবর্তীতে ২৩ অক্টোবর থেকে পূর্বের সময়সূচি (বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত) বহাল থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে চিঠি দিয়ে দুর্গাপূজার বেচাকেনার জন্য দোকানপাট ও বিপণিবিতান রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি জানায় বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি।চিঠিতে সংগঠন বলে, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী ব্যবসায়ীরা রাত আটটার মধ্যে সারা দেশের বিপণিবিতান ও দোকানপাট বন্ধ করছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী দেশের সংকটকালে তাঁরা জ্বালানি সাশ্রয়ে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও জ্বালানিসংকটের কারণে দীর্ঘদিন ধরে দোকানপাটে কেনাবেচা নেই বললেই চলে। এ কারণে ব্যবসায়ীদের অর্থনৈতিক অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন। ব্যবসায়ীদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে।

বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির নেতারা চিঠিতে উল্লেখ করেন, ঈদ ও দুর্গাপূজার সময় বেচাকেনা কিছুটা ভালো হয়। তাই দোকানপাট খোলা রাখার সময় বাড়ানো হলে ব্যবসায়ীরা অনেক উপকৃত হবেন। ইতোমধ্যে লোডশেডিং নিয়ন্ত্রণে এসেছে।প্রসঙ্গত, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরির হলে দেশে জ্বালানিসংকট তীব্র হয়। পরে গত এপ্রিলে দোকান ও বিপণিবিতান সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ দেয় সরকার। যদিও তখন ব্যবসায়ীরা রাত ৮টা পর্যন্ত ব্যবসা করার সুযোগ চেয়েছিলেন। পরে সরকার দোকানপাট বন্ধের সময় এক ঘণ্টা বাড়িয়ে সন্ধ্যা ৭টা করে। কোরবানির ঈদের আগে সময়সীমা শিথিল করা হয়।সর্বশেষ গত ১২ আগস্ট সরকার আবার দোকানপাট ও বিপণিবিতান রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখার নির্দেশনা জারি করে। তখন বলা হয়, বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এসব প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে। একই সঙ্গে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সব ধরনের আলোকিত বিলবোর্ড বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি সব ধরনের আলোকসজ্জা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়।