‘সরকারি কর্মচারীদের দেশপ্রেম ও জনসেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করতে হবে’ভাসানচর থেকে পালানো ১৪ রোহিঙ্গা আটকঢাকার সঙ্গে একমাত্র যোগাযোগ উড়োজাহাজেবুয়েটের ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত ‘যুদ্ধের চেয়ে ৪ গুণ বেশি মার্কিন সেনা মারা গেছে আত্মহত্যায়’
No icon

শপিং মলে ভিড়, বালাই নেই স্বাস্থ্যবিধির

ঈদের আগে গতকাল ছিল শেষ শুক্রবার তথা জুমাতুল বিদা। শপিং মলগুলোতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ছিল ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। পরিবার-পরিজন নিয়ে শেষ মুহুর্তে ঈদের কেনাকাটা করতে মানুষ নগরীর বিভিন্ন মার্কেটে ভিড় করেন। করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি আছে জেনেও কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করেই ঈদের কেনাকাটায় বের হন ক্রেতারা। ঈদ শপিংয়ের ভিড়ে বড়দের সঙ্গে ছোটদেরও দেখা যায়। অনেকে মাস্ক পরে শপিংয়ে এলেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ক্রেতাদের মাস্ক ছাড়াই কেনাকাটা করতে দেখা গেছে। বড় বড় শপিং মলগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও জীবাণুনাশক টানেল ব্যবহার করা হলেও বেশিরভাগ বিপণিবিতানে এসব ব্যবস্থা রাখা হয়নি।

গতকাল রাজধানীর বসুন্ধরা শপিং মলে গিয়ে দেখা যায়, ক্রেতারা লাইন ধরে জীবাণুুনাশক টানেলের মধ্য দিয়ে শপিং মলটিতে প্রবেশ করছেন। এ সময় তাদের শরীরের তাপমাত্রা মাপা হয় এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে দেওয়া হয়। কথা হলে মিরপুরের বাসিন্দা আবদুল কুদ্দুস বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, নিজেদের জন্য না হলেও সন্তানের আবদার রাখতেই আজ শপিং করতে বের হয়েছি। তিনি জানান, আমার এক আত্মীয়ের কাছ থেকে জানতে পেরেছি এই শপিং মলে প্রবেশের সময় প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মানা হয়। এজন্য ঝুঁকি নিয়ে অন্য কোথায় না গিয়ে বসুন্ধরা শপিং মলেই এসেছি।

তবে বিপরীত চিত্র দেখা যায় নিউমার্কেটে। এখানে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়ে একজনের সঙ্গে আরেকজনের ধাক্কাধাক্কির অবস্থা। প্রবেশ পথেও নেই কোনো সুরক্ষা সামগ্রী। তার পরও ক্রেতারা কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করেই যে যার মতো শপিং করছিলেন। এদের মধ্যে অনেকেই মাস্ক ছাড়াই শপিং করছিলেন। এমনকি বড়দের সঙ্গে আসা শিশুদের মুখে ছিল না কোনো মাস্ক। জানতে চাইলে পুরান ঢাকার ব্যবসায়ী সোহেল আরমান বলেন, বিয়ের পর এবারই আমার প্রথম ঈদ। করোনায় পরিস্থিতি ভালো নয় কিন্তু নতুন বউয়ের জন্য নতুন শাড়ি না কিনলে কি চলে। তাই শাড়ি কিনতে এসেছেন বলে তিনি জানান