তিন মোবাইল অপারেটরের ভ্যাট বকেয়া ২৩৩ কোটি টাকাআগামী নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকারজাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত উৎসব ২৭-২৯ জানুয়ারিমানবপাচারে শীর্ষে সুন্দরবন অঞ্চলএক যুগের সর্বনিম্ন এডিপি বাস্তবায়ন
No icon

সোনালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ যথেষ্ট উদ্বেগজনক

রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণের অবস্থা যথেষ্ট উদ্বেগজনক বলে মনে করছে অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি। তারা বলেছে, অনেক গ্রাহককে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে ঋণের বিপরীতে জামানত নেই। ব্যাংকটির বড় খেলাপিদের থেকে বার্ষিক আদায়ের হার ১ শতাংশেরও কম।গতকাল সোমবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। কমিটির সভাপতি আব্দুস শহীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে অংশ নেন কমিটি সদস্য ও চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, এ বি তাজুল ইসলাম, বজলুল হক হারুন, আহসান আদেলুর রহমান, ওয়াসিকা আয়েশা খান এবং খাদিজাতুল আনোয়ার।সংশ্নিষ্টরা জানান, ২০২১ সালের ৩ জানুয়ারি সংসদীয় সাব-কমিটি গঠন করে সোনালী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ন্যাশনাল ফাইন্যান্স লিমিটেড, প্রিমিয়াম লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্স লিমিটেডের খেলাপি ঋণের আর্থিক অনিয়ম যাচাই-বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।ওই সাব-কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন ওয়াসিকা আয়েশা খান। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন আহসান আদেলুর রহমান ও খাজিদাতুল আনোয়ার। কমিটি দীর্ঘ সময় যাচাই শেষ করে গতকাল অনুষ্ঠিত মূল কমিটির বৈঠকে তার প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। বৈঠকে সাব-কমিটির সুপারিশ মূল কমিটি গ্রহণ করেছে বলেও বৈঠক শেষে সংসদ সচিবালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ওয়াসিকা আয়েশা খান বলেন, সাব-কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এ বিষয়ে কমিটিতে আলোচনা করে পরবর্তী সময়ে সুপারিশ বাংলাদেশ ব্যাংককে জানানো হবে। এদিকে, সাব-কমিটির প্রতিবেদনে ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ ও ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ঋণ দেওয়ার ক্ষমতা সীমিত করাসহ ১৪ দফা সুপারিশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোনালী ব্যাংকের ২০২০ সালের ডিসেম্বরে সাড়ে ৫ লাখ খেলাপি ঋণ গ্রাহকের সংশ্নেষ অর্থের পরিমাণ ১৭ হাজার ৭৬২ কোটি টাকা। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে খেলাপি ঋণ গ্রাহক কমে দাঁড়ায় ৩ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। কিন্তু খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে হয় ১৮ হাজার ৭৮৬ কোটি। চলতি বছর এপ্রিল পর্যন্ত খেলাপি ঋণের গ্রাহক কিছুটা বেড়ে হয় ৩ লাখ ৯৭ হাজার। আর খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমে হয় ১৮ হাজার ৭১২ কোটি। ২০২০ সালের (৬ দশমিক ২২ ভাগ) তুলনায় ২০২১ সালে (৭ দশমিক ৫৯ ভাগ) খেলাপি ঋণ আদায় কিছুটা বেড়েছে।