তিন শিশুকে বিষপান করিয়ে হত্যা, বাবার অবস্থাও আশঙ্কাজনকজাতীয় গ্রিডে আজ যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসআট দফা যেকোনো সময় এক দফা হতে পারেঢাকা থেকে রংপুরের পথে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চউচ্চ ব্যয় ও ঋণে মেট্রোরেল নিয়ে সতর্কবার্তা
No icon

তিন শিশুকে বিষপান করিয়ে হত্যা, বাবার অবস্থাও আশঙ্কাজনক

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে তিন শিশু সন্তানকে বিষ খাইয়ে সরফত আলী (৩৮) নামের এক ব্যক্তি নিজেও বিষপান করেছেন। এতে তিন শিশুরই মৃত্যু হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই বাবাকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।আজ শনিবার ভোররাতে উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের রজনী লাইন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলো- মাওয়া আক্তার (১০), তামিম মিয়া (৭) ও শামীম মিয়া (২)।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি সরফত আলীর স্ত্রী ফাতেমা বেগম তিন সন্তানকে বাবার কাছে রেখে সৌদি আরব চলে যান। গত শুক্রবার দুপুরে স্ত্রীর সঙ্গে কোনো একটি বিষয়ে কথা কাটাকাটি হয় তার। পরে বিকেলে বাজারে গিয়ে মোরগ ও পোলাওর চাল নিয়ে আসেন। রাতে রান্না করে খাওয়ার পর ঘুমিয়ে যান তিনি।পরে রাত দেড়টার দিকে সরফত আলী নিজে বিষ খান এবং তার তিন ছেলেমেয়েকে বলেন ওষুধ খাওয়ার জন্য। পরে ছোট ছেলে ও মেয়ের পর বড় মেয়েকে বিষ খাইয়ে দেওয়ার পর চিৎকার দিলে বাড়ির পাশের আত্মীয়রা এগিয়ে আসেন। বড় মেয়ের কাছ থেকে এই তথ্য জানতে পারে সবাই।

পরে পরিবারের লোকজন প্রতিবেশী ও আত্মীয়স্বজনদের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে বাদাঘাট বাজারের ডা. হাফিজ উদ্দিন কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তিন শিশুকেই মৃত ঘোষণা করেন।এদিকে বাবার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।বাদাঘাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ হোসাইন মোহাম্মদ আরাফাত বলেন, খুব ভোরে খবর পেয়ে বাদাঘাট বাজারের ডা. হাফিজ উদ্দিন কমপ্লেক্সে গিয়ে তিন শিশুর লাশ দেখতে পাই। গুরুতর অসুস্থ বাবাকে স্বজনরা সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেছেন।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে তাহিরপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমেদ জানান, বিষপানের সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি। তবে এই বিষয়ে পুলিশ কাজ করছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।