মিয়ানমারে দ্রুত প্রত্যাবাসন রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র সমাধানহাইতিকে উড়িয়ে গ্রুপের শীর্ষে ব্রাজিলবিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই তিস্তার পানিপ্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বদল হচ্ছে ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নামপ্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়ায় যাচ্ছেন কাল
No icon

বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই তিস্তার পানি

টানা বৃষ্টি আর ভারতের পাহাড়ি ঢলে তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে। পানি নিয়ন্ত্রণে ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দেওয়া হয়েছে। এতে আমন ধানের বীজতলার চারা নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন তিস্তা পাড়ের কৃষকরা।আজ শনিবার সকাল ৬টায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে তিস্তার পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ০১ সেন্টিমিটার, যা বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার নিচে দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এর আগে, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় ২০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়।জানা গেছে, ভারতের তিস্তার পানি বাড়ায় হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী, দোয়ানী, সানিয়াজান ইউনিয়নের নিজ শেখ সুন্দর, বাঘের চর, সিঙ্গামারি ইউনিয়নের ধুবনী, সিন্দুর্না, পাটিকাপাড়া, ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়নের তিস্তা নদীর তীরবর্তী চরে বাদামক্ষেত, ধানের বীজ তলা, মিষ্টি কুমড়াসহ বিভিন্ন ফসল পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

তিস্তাপাড়ের কৃষক আমিরুল ইসলাম বলেন, শুনছি তিস্তার পানি বাড়ছে। পানি বাড়লে আমাদের আমন ধানের বীজতলার চারাগুলোর অনেক ক্ষতি হবে।দোয়ানী গ্রামের কৃষক সুলতান মাহমুদ বলেন, শুনছি ভারত থেকে পানি আসা শুরু হয়েছে। এ পানি যদি আসতে থাকে চরাঞ্চলে আমন ধানের চারাগুলো নষ্ট হয়ে যাবে। এ ছাড়াও বাদাম, মিষ্টি কুমড়াসহ অনেক ফসল নষ্ট হয়ে যাবে।ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, বৃদ্ধি পাচ্ছে তিস্তার পানি। এরই মধ্যে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।তিস্তার ডালিয়া পয়েন্টে পানির লেভেল পরিমাপক নুরুল ইসলাম বলেন, সকাল ৬টায় তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি নিয়ন্ত্রণে ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।