ঢাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির আভাসবাংলাদেশকে ২ কোটি ১৯ লাখ হাম-রুবেলার টিকা দেবে যুক্তরাষ্ট্র১৮ মাসে বাতিল ৪৮১ ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার’ গেজেট ইরান যুদ্ধ ‘শেষের পথে’, জানালেন ট্রাম্পকয়েক অঞ্চলে বৃষ্টির আভাস কমতে পারে তাপপ্রবাহ
No icon

কয়েক অঞ্চলে বৃষ্টির আভাস কমতে পারে তাপপ্রবাহ

তীব্র গরমে হাঁসফাঁস জনজীবনে কিছুটা স্বস্তির ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। দেশের কয়েকটি অঞ্চলে চলমান মৃদু তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকলেও আজ বৃহস্পতিবার থেকে তা প্রশমিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন বিভাগে বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস দিয়েছে সংস্থাটি।গতকাল বুধবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় লঘুচাপের বর্ধিতাংশ অবস্থান করছে। এর প্রভাবে সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। তবে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আকাশ আংশিক মেঘলাসহ আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।এদিকে রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার ওপর দিয়ে বর্তমানে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এই তাপপ্রবাহ আজও অব্যাহত থাকতে পারে। তবে আজ থেকে তা ধীরে ধীরে প্রশমিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাপমাত্রার দিক থেকে বড় কোনো পরিবর্তন আজ দেখা যাবে না বলে জানানো হয়েছে। সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। তবে আজ দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে; কিছুটা কমতে পারে রাতের তাপমাত্রাও।

গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় রাজশাহীতে ৩৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল সিলেটে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজধানীতে তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ২ ডিগ্রি, যা গরমের অস্বস্তি আরও বাড়িয়েছে।আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং দেশের অন্যান্য বিভাগের দু-এক জায়গায় বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। তবে আগামীকাল শুক্রবারের পর বৃষ্টির প্রবণতা কিছুটা কমে গিয়ে আবারও তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।চৈত্র মাসজুড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দফায় দফায় কালবৈশাখী ও বজ্রবৃষ্টি হলেও, মাসের শেষ দিকে এসে তাপপ্রবাহ আবারও জেঁকে বসে। বিশেষ করে রাজশাহী, খুলনা ও ঢাকা বিভাগের বেশ কিছু এলাকায় গরমের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপপ্রবাহ থাকলেও সিলেট ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে ইতোমধ্যে বৃষ্টি হচ্ছে। গতকাল সিলেটে ৭১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তিনি জানান, আজও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কমবেশি বৃষ্টি হতে পারে। সিলেট ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে বৃষ্টির প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। একই সঙ্গে কালবৈশাখীও বয়ে যেতে পারে। এর প্রভাবে তাপমাত্রা কিছুটা কমার সম্ভাবনা রয়েছে।তাপপ্রবাহের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে নাজমুল হক বলেন, এপ্রিল মাসে সূর্যের অবস্থান বাংলাদেশের কাছাকাছি থাকায় সূর্যরশ্মি সরাসরি পড়ে এবং তার তীব্রতা বেশি থাকে। এর সঙ্গে সাগরের উত্তপ্ত অবস্থা ও বাতাসে জলীয় বাষ্পের আধিক্য মিলিয়ে গরমের অনুভূতি আরও বাড়িয়ে দেয়।ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে সাগরে লঘুচাপের স্পষ্ট লক্ষণ নেই।