প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার মন্ত্রিপরিষদের শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধ। নেয়া হয়েছে চার স্তরের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।কর্মসূচি অনুযায়ী আজ বুধবার সকাল ১০টায় গুলশানের বাসভবন থেকে সাভারের উদ্দেশে রওনা হবেন তারেক রহমান। সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে সড়কপথে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পৌঁছানোর কথা রয়েছে তার।এ সময় গণপূর্ত, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী ছাড়াও তিন বাহিনীর প্রধান, নয় পদাতিক ডিভিশনের জিওসিসহ ঊর্ধ্বতন ১৯ জন কর্মকর্তা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবেন।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন। এ সময় তিন বাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদর্শন করবে। উত্তোলন করা হবে জাতীয় পতাকা।প্রধানমন্ত্রীর পরপর মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদেরশ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করবেন এবং স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গনে পারিজাত গাছের চারা রোপন করবেন।
জাতীয় স্মৃতিসৌধের আনুষ্ঠানিকতার শেষে সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হবেন। সোয়া ১২টার দিকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও জিয়ারত করবেন। তাদের রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া করবেন।পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে তিনি সচিবালয়ের উদ্দেশে রওনা হবেন। দুপুর ১টায় সচিবালয়ে পৌঁছে নামাজ আদায় করবেন। বিকেল ৩টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মন্ত্রিসভার বৈঠকে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।প্রসঙ্গত, দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে দেশে ফেরার পর দিন গত ২৬ ডিসেম্বর জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন বিএনপির তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেদিন পথে পথে লাখো মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছিলেন তিনি।