বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলা শেষে উত্তপ্ত পরিস্থিতি হয়েছে। মাঠের মধ্যেই হাতাহাতি, ধাক্কাধাক্কি হয় আর্জেন্টিনা ও স্পেনের ফুটবলারদের। বেশি আগ্রাসী ভঙ্গিতে দেখা যায় লিয়োনেল মেসির সতীর্থদের। হঠাৎ কেন এই বিবাদ হল? তার নেপথ্যে কী কারণ ছিল? অবশেষে
আয়োজক : যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, কানাডা ভেন্যু : ১৬টি অংশগ্রহণ : ৪৮ দল ফুটবলার : ১২৪৮ জন ম্যাচ : ১০৪টি গোল : ৩০৮টি চ্যাম্পিয়ন : স্পেন (দ্বিতীয় শিরোপা, প্রথমটি ২০১০) রানার্সআপ : আর্জেন্টিনা তৃতীয় স্থান : ইংল্যান্ড ফেয়ার প্লে : নেদারল্যান্ডস আসর সেরা (গোল্ডেন বল) :
গোল্ডেন বল স্পেন অধিনায়ক রদ্রি। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে স্পেনের মাঝমাঠকে অসাধারণ দক্ষতায় নিয়ন্ত্রণ করে দলকে শিরোপা জয়ে নেতৃত্ব দেন তিনি। ফাইনালেও তার প্রভাব ছিল চোখে পড়ার মতো। এই কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে লিওনেল মেসিকে পেছনে ফেলে বিশ্বকাপের
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে যখন শেষ বাঁশিটা বাজল, লিওনেল মেসির বিষণ্ন মুখের ওপর তখন ডুবে যাওয়া সূর্যের আলো চার বছর আগের লুসাইলের সেই রূপকথার এক নির্মম, নিষ্ঠুর বৈপরীত্য! দিবু মার্টিনেজের ১৩টি অতিমানবীয় সেভের সেই অবিশ্বাস্য
বিশ্বকাপ স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ায় যেন নিজেদেরই হারিয়ে ফেলেছিল ফ্রান্স। অন্তত প্রথমার্ধে তাদের নিয়ে যে ছেলেখেলায় মেতে ওঠে ইংল্যান্ড, তাতে তেমন ধারণাই মেলে। তবে চার গোল হজমের পর, ঘুরে দাঁড়িয়ে লড়াই জমিয়ে তুলল ফরাসিরা। দারুণ দুটি
আজ মিয়ামিতে বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে সেমিফাইনালে দুই পরাজিত দল ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড। এর মাধ্যমে বিশ্বকাপকে বিষণ্ন বিদায় জানাতে প্রস্তুত হচ্ছে ফুটবলের দুই পরাশক্তি। দুই দলই ফ্লোরিডায় পৌঁছেছে সেমিফাইনালের হতাশাজনক পরাজয়ের ক্ষত
আগামী ১৯ জুলাই প্রতিপক্ষ স্পেনকে হারাতে হবে আর্জেন্টিনাকে। তবে নিউ ইয়র্ক/নিউ জার্সিতে আর্জেন্টিনা নয় স্পেন বিজয়োল্লাস করবে বলে মনে করছেন ইকার ক্যাসিয়াস। স্পেন কিংবদন্তির মতে, আর্জেন্টিনার চতুর্থ নয়, স্পেনের দ্বিতীয় শিরোপা হতে যাচ্ছে।
ফাইনালের লড়াইয়ের আগে
কামব্যাকের কোন গল্প নই, মহাকাব্য লিখতে বসেছে আর্জেন্টিনা। নকআউট পর্বের প্রতিটি ম্যাচে কামব্যাক করে জয়ের হাসি হেসেছেন লিওনেল মেসিরা। ফাইনালের লড়াইয়েও শক্তিশালী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শুরুতে পিছিয়ে পড়ে আলবিসেলেস্তেরা। শেষ মুহূর্তে জোড়া গোল করে ২-১ ব্যবধানে






