রাজনৈতিক বার্তা দিতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জামায়াত জোটকয়েকটি দাবি মানার শর্তে হরমুজ প্রণালি খুলবে ইরানকলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ১১১, ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা অনেকেতারেক রহমানের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক আজএসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবারের পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ
No icon

কয়েকটি দাবি মানার শর্তে হরমুজ প্রণালি খুলবে ইরান

হরমুজ প্রণালির ভেতর নতুন নৌপথ নির্ধারণে ওমানের সঙ্গে একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছানোর কথা জানিয়েছে ইরান। তবে কৌশলগত এই জলপথটি পুনরায় খোলার আগে যুক্তরাষ্ট্রকে কিছু শর্ত বা দাবি পূরণ করতে হবে। এর মধ্যে আছে ক্ষতিপূরণ, নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া ও সামরিক হুমকি বন্ধ করা।সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ওমানের সঙ্গে গঠনমূলক আলোচনা চলছে। নৌ-পথের মানচিত্র নিয়ে একটি সমঝোতা হয়েছে। তবে যৌথ বিবৃতির কিছু কারিগরি বিষয় এখনও অমীমাংসিত আছে।তেহরানে বাঘাই আরও বলেন, আলোচনায় নিরাপদ নৌ-চলাচল, পরিবেশ সুরক্ষা, সামুদ্রিক সেবা এবং অপরাধ দমনের প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত ছিল। এ ধরনের সেবার বিনিময়ে সাধারণত অর্থ গ্রহণ করা হয়।

ক্ষতিপূরণসহ কয়েকটি শর্ত হরমুজ খোলার শর্তগুলোর বিষয়ে ইরানের দুটি পক্ষের কাছে থেকে বক্তব্য পাওয়া গেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি রোববার জানান, প্রণালি পুনরায় খোলাটা নির্ভর করবে মার্কিন হামলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ওপর।অপরদিকে জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থার বিদায়ী সচিব মোহাম্মদ বাকের জোলকাদর আরও কয়েকটি শর্তের কথা উল্লেখ করেছেন। সেগুলো হলো- যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি বন্ধ করা; ইরান, লেবানন, ফিলিস্তিন, ইয়েমেন ও ইরাকে আগ্রাসন থামানো; উপসাগরে মার্কিন নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়া; ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং জব্দকৃত সম্পদ ছেড়ে দেওয়া।শর্তের একাংশ উল্লেখ করার সময় আরাঘচি জানান, বর্তমানে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সরাসরি কোনো আলোচনা চলছে না। তারা যতক্ষণ জুনে স্বাক্ষরিত চুক্তি লঙ্ঘন করবে, ততক্ষণ আলোচনা শুরু হবে না। তবে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান হচ্ছে।

এদিকে মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, আমরা তাদের (ইরান) সঙ্গে কেবল আংশিক আলোচনা করছি। আমরা শুধু দেখছি সেখানে অনেক মূল্যস্ফীতি হচ্ছে। তাদের কাছে টাকা-পয়সা নেই।হরমুজকেন্দ্রিক এমন খবরের মধ্যে সোমবার তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ৮৪ দশমিক ২২ ডলারে গিয়ে ঠেকেছে। গত এপ্রিল মাসের শেষ দিকে প্রতি ব্যারেলের দাম প্রায় ১২৬ ডলারে উঠেছিল।