বিশ্ববাজারে টানা ৬ সপ্তাহ কমলো জ্বালানি তেলের দামওমিক্রন নিয়ন্ত্রণে ২৩ সুপারিশরাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৭৫প্রতিবেশীর ঘরে অস্ত্র ঢোকালে যুদ্ধ বাধবে: যুক্তরাষ্ট্রকে রাশিয়া৯ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পে ঢেলে সাজানো হচ্ছে ঢাবি
No icon

১২ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের টিকাদান শুরু বৃহস্পতিবার

স্কুল-কলেজে অধ্যয়নরত ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের করোনাভাইরাসের প্রতিষেধক টিকার আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামীকাল বৃহস্পতিবার মানিকগঞ্জে কর্নেল মালেক মেডিকেল কলেজে ৫০ থেকে ১০০ শিক্ষার্থীকে টিকাদানের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচির যাত্রা শুরু হবে। প্রাথমিকভাবে টিকা দেওয়া শিক্ষার্থীদের ১০ থেকে ১৪ দিন পর্যন্ত পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। এরপর এ কার্যক্রম ব্যাপকাকারে শুরু হবে।বুধবার ফেসবুক লাইভে এসে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম এসব তথ্য জানান। প্রায় দুই মাস ধরে আলোচনা-মতবিনিময়ের পর স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়ার বিষয়ে সরকারের এ সিদ্ধান্ত এল। প্রাথমিক পর্যায়ে ৩০ লাখ শিক্ষার্থীকে টিকাকরণ করা হবে। সেক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। এছাড়া যেসব শিক্ষার্থীর কো-মরবিডিটি রয়েছে তারাও অগ্রাধিকার পাবেন।

এরপর টিকা দেওয়া হবে নবম ও একাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা। পরে ধাপে ধাপে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনা হবে। স্কুল-কলেজের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও দ্রুততম সময়ের মধ্যে টিকার আওতায় আসছেন।প্রাথমিক পর্যায়ে ৩০ লাখ শিক্ষার্থী:স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, সরকারের কাছে ৬০ লাখের মতো ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকা মজুদ রয়েছে। এ টিকা দিয়ে ৩০ লাখ শিক্ষার্থীকে পূর্ণ দুই ডোজ টিকা দেওয়া সম্ভব হবে।প্রসঙ্গত, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী, বিশ্বের কয়েকটি দেশে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশুদের ফাইজার-বায়োএনটেক ও মর্ডানার টিকা দেওয়া হচ্ছে। অন্য কোনো টিকা ১৮ বছরের কম বয়সী মানুষের ক্ষেত্রে প্রয়োগের ব্যাপারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। এ কারণে অন্য টিকা মজুদ থাকলেও সেগুলো শিশুদের প্রয়োগ করা হবে না।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক মিলে দেশে প্রায় এক কোটি শিক্ষার্থী রয়েছে। যাদের বয়স ১২ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে। এসব শিক্ষার্থীদের টিকা দিতে হলে প্রয়োজন দুই কোটি ডোজ টিকা। যা আবার ফাইজার অথবা মর্ডানা টিকা হতে হবে। শুরুতে নবম, দশম এবং একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীদের শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় আনা হবে। এই চার শ্রেণী মিলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩০ লাখের বেশি হবে না। সরকারের কাছে মজুদ থাকা ফাইজারের ৬০ লাখ টিকার মাধ্যমে তাদের টিকাকরণ সম্ভব হবে।