এক দিনের সফরে ফেনীর উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি তার প্রথম ফেনী সফর।আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ৩৬ মিনিটে গুলশানের বাসা থেকে সরকারপ্রধানের গাড়িবহর সড়ক পথে যাত্রা করে বলে জানিয়েছেন তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।পৌনে ৯টায় তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফেনী যাচ্ছেন। গুলশানের বাসা থেকে রওনা হয়ে রাজধানী অতিক্রম করছে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর।ফেনীতে দিনব্যাপী নির্ধারিত কর্মসূচি শেষ করে সন্ধ্যায় ঢাকায় ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং সূত্র জানায়, এক দিনের এ সফরে জেলার পরশুরাম ও ফুলগাজী উপজেলায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের উদ্বোধন, বৃক্ষরোপণ, রুফটপ সোলার থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণসহ বেশ কিছু কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্যে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঘাটঘর-মুহুরী ব্রিজ এলাকায় পৌঁছে মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (১ম পর্যায়) প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। এ সময়স্থানীয়দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
দুপুর সোয়া ১টায় পরশুরাম থেকে ফুলগাজীর বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর দেড়টায় কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এরপর দুপুর ২টায় ফুলগাজী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় যাবেন তারেক রহমান। সেখানে রুফটপ সোলার থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। পরে সেখানে দুপুরের খাবার ও বিশ্রাম নেবেন।বিকেল ৩টায় ফুলগাজী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে। একই অনুষ্ঠানে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে পুরোহিতদের সম্মানী হস্তান্তর করবেন।সর্বশেষ বিকেল সাড়ে ৫টায় সড়কপথে ঢাকার পথে ফেনী ত্যাগ করবেন প্রধানমন্ত্রী।জানা গেছে, পরশুরামে উদ্বোধন হতে যাওয়া মুহুরী-কহুয়া প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকা। গত ১৬ জুন একনেকে প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়। এর আওতায় ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ, ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন, ২৭টি সেচ অবকাঠামো পুনর্বাসন এবং ৭৭টি ইনলেট নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটি ২০৩০ সালের মধ্যে শেষ করার সম্ভাব্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরটি গত ১৭ সেপ্টেম্বর হওয়ার কথা ছিল। পরে তা স্থগিত করে ১ অক্টোবর নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়।