বজ্রবৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেতভোটারদের দশ আঙুলের ছাপ নেবে ইসিপিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ উদ্যোগকে কীভাবে আয়কর রিটার্ন জমা দেবেনজাতিসংঘে উঠছে একাত্তরের গণহত্যার স্বীকৃতির দাবি
No icon

প্রস্তাবেই বেড়ে গেল সয়াবিন তেলের দাম

দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের পর ভোজ্যতেলের বাজারে আবারও ভোক্তাদের পকেট কাটা শুরু হয়েছে। বাজারে কয়েকটি কোম্পানির তেলের সরবরাহ এরই মধ্যে কমে গেছে। আবার কিছুসংখ্যক খুচরা ব্যবসায়ী বোতলের গায়ে লেখা মূল্যের চেয়ে লিটারে ৫ টাকা এবং পাঁচ লিটারে ১০ টাকা পর্যন্ত বেশি নিচ্ছেন। একইভাবে খোলা সয়াবিন ও পাম অয়েলের দামও বেশি নেওয়া হচ্ছে।বিশ্ববাজারে প্রতি টন অপরিশোধিত সয়াবিনের দাম কমে ১ হাজার ৯০০ থেকে ১ হাজার ১০০ ডলারে নেমে এসেছে। এ পরিস্থিতিতে আবারও ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে আমদানিকারক ও পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলোর সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। সম্প্রতি সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়ে ট্যারিফ কমিশনে চিঠি পাঠায় সংগঠনটি। তবে এ প্রস্তাবে এখনও সাড়া দেয়নি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। কিন্তু এরই মধ্যে খুচরা বাজারে বাড়তি মূল্যে তেল বিক্রি শুরু হয়ে গেছে।

গতকাল বুধবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার থেকে সদাই নিয়ে কাঁঠালবাগানে নিজ বাসার উদ্দেশে রওনা হন বেসরকারি চাকরিজীবী নাজমুল হোসেন। তেলের দামের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, নানা অজুহাতে আবারও সয়াবিন তেলের দাম বাড়িয়ে মানুষের পকেট কাটা শুরু করেছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা। ৫ লিটারের বোতলের দাম ৯৪০ টাকা চাইছেন তাঁরা। দরকষাকষি করে ৯২০ টাকায় কিনেছি। অথচ গত সপ্তাহে একই তেল কিনেছি ৮৯০ টাকায়। গতকাল তেজকুনীপাড়া, কারওয়ান বাজার, মহাখালী কাঁচাবাজার ও মগবাজার এলাকা ঘুরে দেখা যায়, কয়েকটি ব্র্যান্ডের তেলের সরবরাহ একেবারে কম। যেসব ব্র্যান্ডের তেল দেখা গেছে, সেগুলোর বেশিরভাগই পাঁচ লিটারের বোতল। এ ধরনের বোতলের বিক্রিও বেশি। তবে কিছুটা কম দেখা গেছে এক ও দুই লিটারের বোতল। খুচরা ব্যবসায়ীদের কেউ কেউ পাঁচ লিটারের বোতল বিক্রি করছেন ৯১০ থেকে ৯২০ টাকায়। বোতলের গায়ে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৯১০ টাকা লেখা থাকলেও এত দিন এগুলো কেনা যেত ৮৯০ থেকে ৯০০ টাকায়।