বাণিজ্যচুক্তি বাতিল নয়, থাকবে নিষেধাজ্ঞাও: চীন প্রসঙ্গে বাইডেনভুয়া সনদে চিকিৎসক হিসেবে নিবন্ধন : ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলাপ্রথম ধাপে ভাসানচর যাচ্ছে ৬শ' রোহিঙ্গা পরিবার!ইয়েমেনে প্রতি ১০ মিনিটে মরছে একটি শিশুঢাকায় আসার সম্মতি দিয়েছেন এরদোগান
No icon

প্রতিবস্তা পেঁয়াজ ১০ টাকা!

ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের পর সরকার দেশের সমুদ্রবন্দর দিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যটি আমদানির যে উদ্যোগ নেয়, তার এক-চতুর্থাংশ ইতোমধ্যে দেশে এসে পৌঁছেছে। তবে এর অধিকাংশই নিম্নমানের ও পচা। ফলে খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারে যেখানে পেঁয়াজের কেজি ৫০ টাকায় বিক্রি করার কথা, সেখানে আমদানি করা ৫০ কেজি ওজনের প্রতিবস্তাই বিক্রি হচ্ছে মাত্র ১০ টাকায়! এতেও ক্রেতা পাচ্ছেন না আড়তদাররা। এ ছাড়া পাইকারিতে দেশি পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ৪৫, পাকিস্তানি ৩২, তুরস্ক সাদা ২৮ ও লাল ৪২, মিসর ও চায়না ২৫, মিয়ানমার ৩৫, নিউজিল্যান্ড ৪০ এবং ইরানি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩২ টাকা দরে।

খাতুনগঞ্জে পেঁয়াজের আড়ত আছে প্রায় ১৫০। গতকাল বুধবার সরেজমিন দেখা যায়, প্রতিটি আড়তের সামনেই পচা পেঁয়াজের বস্তা। কোনো কোনো আড়তদার তো নামমাত্র মূল্যে অর্থাৎ বস্তাপ্রতি ১০ টাকায় সেগুলো বিক্রি করছেন। আড়তদার আবু হানিফ বলেন, পেঁয়াজ থেকে পানি ঝরছে। অঙ্কুরোদগম হচ্ছে, পচে যাচ্ছে। সেগুলো উল্টো ভালো পেঁয়াজকে নষ্ট করছে। আর এসব পচা পেঁয়াজের বস্তা কোথাও সরিয়ে নিতে হলে শ্রমিক ভাড়া করতে হবে। তাই আড়তের সামনে রাখছি, যার ইচ্ছা সে নিয়ে যাচ্ছেন।মোহাম্মদিয়া বাণিজ্যালয়ের সামনে কথা হয় ফুটপাতের কাঁচা পণ্য বিক্রেতা রশিদুল ইসলামের সঙ্গে। তিনি বলেন, গত মঙ্গলবার চার বস্তা ৪০ টাকায় নিয়ে গিয়ে কোনোমতে ১৭ কেজির মতো পেয়েছি। যেগুলো ২৭ টাকা কেজিতে বিক্রি করি।

হামিদ উল্লাহ মিয়া মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ইদ্রিস বলেন, সংকটের সময় অনেকের মতো অনভিজ্ঞ ব্যক্তিরাও অধিক মুনাফার আশায় পেঁয়াজ আমদানি করেছেন। এমনকি লোহার ব্যাপারীরাও পেঁয়াজ এনেছে। ধারণা না থাকায় তাদের মাধ্যমেই এসেছে এসব নিম্নমানের পেঁয়াজ। দাম না পাওয়ায় সেগুলো এখন বস্তাতেই পচে যাচ্ছে। আর তাদের অজ্ঞতার কারণে লোকসানে পড়েছি আমরা আড়তদাররা।