→ কাল রাজশাহী সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী→ আজ দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ→ মঙ্গলবার থেকে টানা ৫ দিন বন্ধ ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠান→ বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার আজ→ গাজায় পণ্য প্রবেশ বন্ধ, বাড়ছে খাদ্যের দাম ও সংকটের শঙ্কা
No icon

লোক দেখানো ইবাদতকারীর পরিণতি

ইবাদত নিয়ে অহংকার অত্যন্ত নিন্দনীয়। ইবাদত নিয়ে অহংকার দুইভাবে হয়ে থাকে। এক. ইবাদত করে তা নিয়ে অহমিকা প্রদর্শন করা। দুই. ইবাদত না করার মাধ্যমে অংহকার। রাসুলুল্লাহ (সা.) রাতের বেলা দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে ইবাদত করতেন। অথচ তাঁর অতীত-ভবিষ্যতের সব পাপ মাফ করে দেওয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে আয়েশা (রা.)-এর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি কি কৃতজ্ঞ বান্দা হব না?’ (বুখারি, হাদিস : ৪৮৯৭)

ফেরেশতারা দিন-রাত আল্লাহর ইবাদত করেন। কিন্তু তাঁরা এ জন্য অহংকার করেন না। আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই (নৈকট্যশীল ফেরেশতারা) যারা তোমার প্রতিপালকের সান্নিধ্যে থাকে, তারা তাঁর ইবাদতে অহংকার করে না। তারা তাঁর গুণগান করে এবং তাঁর জন্য সিজদা করে।’ (সুরা : আরাফ, আয়াত : ২০৬)

 

যারা ইবাদত করা থেকে অহংকার করে, তাদের পরিণতি সম্পর্কে আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই যারা আমাদের আয়াতসমূহকে মিথ্যা বলে এবং তা থেকে অহংকার করে, তাদের জন্য আকাশের দরজাসমূহ উন্মুক্ত করা হবে না এবং তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে না, যে পর্যন্ত না সুচের ছিদ্রপথে উষ্ট্র প্রবেশ করে। এভাবেই আমরা অপরাধীদের শাস্তি প্রদান করে থাকি।’ (সুরা : আরাফ, আয়াত : ৪০)