সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাসজার্মানিকে বিদায়ের আনন্দে প্যারাগুয়েতে জাতীয় ছুটি ঘোষণাপ্যারাগুয়ের ঐতিহাসিক জয়ে উচ্ছ্বসিত কোচএবার তাড়াইলের বিদ্যালয়ে খুলে পড়ল সিলিং ফ্যানযে কোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারাজ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা হবে: প্রধানমন্ত্রী
No icon

বড় যুদ্ধেও ইরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন সম্ভব হবে না

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র বড় ধরনের আক্রমণ করলেও দেশটির শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ও ইসলামী শাসনব্যবস্থাকে উৎখাত করা হয়তো সম্ভব হবে না। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স কাউন্সিলের (এনআইসি) একটি গোপন প্রতিবেদনে সতর্ক করে এ কথা বলা হয়েছিল।যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এটি একটি সতর্কবার্তা, বিশেষ করে যখন ট্রাম্প প্রশাসন ইরানে একটি দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযান চালানোর ধুয়া তুলেছে। মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, যুদ্ধ সবে শুরু হয়েছে। গোয়েন্দা প্রতিবেদনের বিষয়বস্তু সম্পর্কে অবগত এমন তিনটি সূত্র ওয়াশিংটন পোস্টকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বর্তমান নেতৃত্বকে পুরোপুরি সরিয়ে দিয়ে দেশটিতে নিজের পছন্দমতো শাসক বসানোর পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। ট্রাম্প তাঁর এ পরিকল্পনায় সফল হতে পারবেন কিনা এই গোয়েন্দা প্রতিবেদন তা নিয়ে সংশয় তৈরি করেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালানোর প্রায় এক সপ্তাহ আগে এ প্রতিবেদন চূড়ান্ত করা হয়।প্রতিবেদনটি সম্পর্কে জানা আছে এমন কয়েকজন বলেন, ক্ষমতার সম্ভাব্য পরিবর্তন সম্পর্কে ওই প্রতিবেদনে কিছু ধারণা দেওয়া হয়েছে।

ইরানের নেতাদের বিরুদ্ধে সীমিত আকারের অভিযান অথবা দেশটির নেতৃত্ব ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর বিস্তৃত হামলা উভয় ক্ষেত্রেই একই পরিণতির কথা বলা হয়েছে। সেটা হলো, সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যা করা হলে ইরানের ধর্মীয় ও সামরিক প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষমতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আগে থেকে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করবে। ইরানের বিভক্ত বিরোধী দলগুলোর পক্ষে দেশের ক্ষমতা গ্রহণ করতে পারার সম্ভাবনা কম ।যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স কাউন্সিল বা এনআইসি অভিজ্ঞ বিশ্লেষকদের নিয়ে গঠিত। ওয়াশিংটনের ১৮টি গোয়েন্দা সংস্থা থেকে পাওয়া সব তথ্য বিশ্লেষণ করে তারা গোপন প্রতিবেদন তৈরি করে। ইরানে সামরিক অভিযান শুরু করার অনুমতি দেওয়ার আগে এনআইসির এই প্রতিবেদন সম্পর্কে ট্রাম্পকে অবহিত করা হয়েছিল কিনা, হোয়াইট হাউস সে বিষয়ে কিছু বলেনি। ইরানের ওপর সামরিক অভিযান শুরুর পরই সংঘাত পূর্ব দিকে ছড়িয়ে পড়ে, আর পশ্চিম দিকে ক্ষেপণাস্ত্র যুদ্ধ ন্যাটো সদস্য দেশ তুরস্কের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।