আগামী বছরের ৫ অথবা ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের তারিখ ধরেই সব প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ ক্ষেত্রে ডিসেম্বরের ৪ অথবা ৭ তারিখে তফসিল ঘোষণা হতে পারে। পাশাপাশি সংসদ ও গণভোট একই
সারা দেশে জাতীয় নির্বাচনের জমজমাট হাওয়া শুরু হয়ে গেছে। দেশের প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপির বেশির ভাগ প্রার্থীর নাম ঘোষণার পর নির্বাচনি তৎপরতা এখন তুঙ্গে। গতি পেয়েছে প্রচারণা-প্রচারণা। সোমবার ২৩৭ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণার পর ২৩৬টি
যে কোনো সাধারণ নির্বাচনে ভোটদানের জন্য ভোটারের সামনে থাকে প্রার্থী, প্রতীক কিংবা দলীয় পরিচিতি। কিন্তু গণভোটের ক্ষেত্রে এসব থাকে না। সেখানে ব্যালটে থাকা প্রশ্নের পক্ষে-বিপক্ষে ভোটারকে হ্যাঁ কিংবা না মত দিতে হয়। প্রশ্নটি তৈরি করা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে চলতি মাসের মধ্যেই ২০০ আসনে প্রার্থিতা চূড়ান্ত করবে বিএনপি। কে কোন আসনে প্রার্থী হবেন, এই সময়ের মধ্যে দল থেকে তা জানিয়ে দেওয়া হবে। তবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির কোনো কোনো
ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।শনিবার বিকেলে বরিশালে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন। তিনি বলেন, সব ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে
কোনো নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) সহায়তা করা রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বিশেষ করে সংসদ নির্বাচনে তফসিল ঘোষণার আগে একটি সুবিন্যস্ত জনপ্রশাসন খুবই জরুরি। কারণ জাতীয় নির্বাচনের মতো একটি বিশাল কর্মযজ্ঞ
ঠিক এক বছর আলোচনা করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে শেষপর্যন্ত একমত হতে পারেনি রাজনৈতিক দলগুলো। ঐকমত্য কমিশনের বৈঠক শেষ হয়েছে কোনো সমাধান ছাড়াই। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের সময় ও পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক মতবিরোধ রেখেই
আগামী ফেব্রুয়ারি টার্গেট করে দেশে এখন নির্বাচনি হাওয়া বিরাজ করছে। নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে পুরোপুুরি ব্যস্ত সময় পার করছে বিএনপি। এরই মধ্যে দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ শুরু করেছে। দলটির উচ্চপর্যায়ের সূত্র জানিয়েছেন, অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহ নাগাদ







