শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএর বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তিটিকা পরিকল্পনায় গলদমিয়ানমারে সেনা-বিদ্রোহী সংঘর্ষে নিহত ৪০হিরোশিমা দিবস আজবার্সেলোনায় থাকছেন না মেসি
No icon

ছুটছে শেয়ারবাজার, বিনিয়োগ কতটা নিরাপদ?

প্রায় এক বছর ধরে ঊর্ধ্বমুখী ধারায় রয়েছে দেশের শেয়ারবাজার। ফলে লোকসান ভুলে একের পর এক মুনাফা তুলে নিচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা। ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের টাকা প্রায় দুই লাখ কোটি টাকা বেড়ে গেছে। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান মূল্যসূচক দেড় হাজার পয়েন্টের ওপরে বেড়েছে।শেয়ারবাজার এমন ছুটলেও সার্বিকভাবে বাজারকে ঝুঁকিমুক্ত বলছেন বিশেষজ্ঞরা। সেইসঙ্গে বর্তমান বাজারে বিনিয়োগ নিরাপদ বলেও অভিমত দিয়েছেন তারা। তবে কিছু কোম্পানির শেয়ার দাম অতিমূল্যায়িত হয়ে পড়েছে বলে মনে করছেন তারা। এ জন্য বিনিয়োগকারীদের সতর্কতার সঙ্গে বিনিয়োগের পরামর্শ দিয়েছেন। এক বছর ধরে ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও আমি মনে করি সার্বকভাবে বর্তমান শেয়ারবাজার বিনিয়োগের উপযুক্ত এবং বিনিয়োগের জন্য নিরাপদ। বর্তমানে সার্বিক শেয়ারবাজারের পিই রেশিও ১৫-এর নিচে আছে। এটা ২০ পর্যন্ত যাওয়া নিরাপদ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে সার্বিক শেয়ারবাজারের মূল্য-আয় অনুপাত বা পিই রেশিও ১৫-এর নিচে রয়েছে। পিই রেশিও ২০ না হওয়া পর্যন্ত বাজারে বিনিয়োগ নিরপদ বলা যায়। কিছু কোম্পানির শেয়ার দাম অস্বাভাবিক বাড়লেও বেশিরভাগ ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানির শেয়ার দাম এখন বেশ কম রয়েছে। বিশেষ করে যেসব কোম্পানির পিই রেশিও ১৫-এর নিচে আছে সেগুলো বিনিয়োগের জন্য যথেষ্ট উপযুক্ত।তারা বলছেন, প্রায় এক বছর ধরে শেয়ারবাজার ঊর্ধ্বমুখী" শেয়ারবাজার ঊর্ধ্বমুখী ধারায় থাকলেও ২০১০ সালে বাজার যেভাবে ফুলে ফেঁপে উঠেছিল, বর্তমান বাজারে সেই অবস্থার সৃষ্টি হয়নি। কিন্তু কিছু কোম্পানির শেয়ার দাম অস্বাভাবিক ভাবে বেড়েছে। এসব কোম্পানিতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ হুমড়ি খেয়ে বিনিয়োগও করছেন। এ থেকে বোঝা যাচ্ছে অতিত থেকে বিনিয়োগকারীরা খুব একটা শিক্ষা গ্রহণ করেনি। এখনো আগের মতোই বেশিরভাগ বিনিয়োগকারী গুজবভিত্তিক বিনিয়োগ করছেন।

তারা আরও বলছেন, বিনিয়োগকারীদের মনে রাখতে হবে শেয়ারবাজারে যেমন মুনাফা পাওয়া যায়, তেমনি লোকসানের শঙ্কাও রয়েছে। তাই নিজের বিনিয়োগ করা টাকা সুরক্ষার ব্যবস্থা বিনিয়োগকারীদের নিজেদেরই করতে হবে। এ জন্য এখনই সতর্ক হতে হবে। গুজব পরিহার করে কোম্পানির সার্বিক চিত্র ভালো করে পর্যালোচনা করে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সেইসঙ্গে অতিরিক্ত মুনাফার লোভ পরিহার করে দুর্বল কোম্পানির পরিবর্তে ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানিতে বিনিয়োগ করতে হবে।