জার্মানিকে বিদায়ের আনন্দে প্যারাগুয়েতে জাতীয় ছুটি ঘোষণাপ্যারাগুয়ের ঐতিহাসিক জয়ে উচ্ছ্বসিত কোচএবার তাড়াইলের বিদ্যালয়ে খুলে পড়ল সিলিং ফ্যানযে কোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারাজ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা হবে: প্রধানমন্ত্রীদুপুরের মধ্যে ১১ জেলায় ঝোড়ো হাওয়ার আভাস, কমতে পারে তাপমাত্রা
No icon

এবার তাড়াইলের বিদ্যালয়ে খুলে পড়ল সিলিং ফ্যান

বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালে খুলে পড়েছে সিলিং ফ্যান। গতকাল সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার রাউতি ইউনিয়নের চিকনি আউজিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। এ দুর্ঘটনায় অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এ নিয়ে জেলায় চলতি মাসেই তিনটি বিদ্যালয়ে দুর্ঘটনা ঘটেছে। অন্য দুটি বিদ্যালয়ে ছাদের পলেস্তারা খসে পড়েছিল।চিকনি আউজিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম বলেন, গতকাল সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ক্লাস নিচ্ছিলেন একজন শিক্ষক। এমন সময় ছাদ থেকে হঠাৎ খসে পড়ে শিলিং ফ্যানটি। তবে সেটি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝখানের ফাঁকা জায়গায় পড়ায় বড় অঘটন থেকে সবাই রক্ষা পেয়েছেন। এ ঘটনায় পুরো বিদ্যালয়জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে ঘটনাটি অবহিত করেছেন।উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এনামুল হক বলেন, অফিস কক্ষসহ চার কক্ষের একতলা বিদ্যালয় ভবনটি ১৯৯৪ সালে নির্মিত। পুরো ভবনটিই এখন জরাজীর্ণ, ঝুঁকিপূর্ণ। এ বিষয়ে যাথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। আপাতত বিকল্প ব্যবস্থায় পাঠদানের কথা চিন্তা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

তাড়াইলের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিলা আক্তার জানিয়েছেন, ফ্যান খুলে পড়ার খবর পেয়ে তিনি বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছেন। শিক্ষার্থীদের পাঠদান যেন ব্যাহত না হয়, সেই জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে আপাতত ভবনের বাইরে বিকল্প ব্যবস্থা করে দিচ্ছেন। পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রণালয়েও নতুন ভবনের বিষয়ে চিঠি দেবেন। উল্লেখ্য, জেলার পাকুন্দিয়ার দক্ষিণ মাইজহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের ছাদের পলেস্তারা সম্প্রতি খসে পড়ে। ঈদুল আজহার ছুটির পর গত ৭ জুন বিদ্যালয় খোলার পরপরই বিষয়টি নজরে আসে। এই ভবনে তিনটি শ্রেণিকক্ষ আছে। দুর্ঘটনার আশঙ্কায় ওই ভবন ছেড়ে খোলা মাঠে মাদুর বিছিয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হয় বলে জানিয়েছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুরাইয়া বিলকিস। তাঁর ভাষ্য, তিন বছর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বিষয়ে লিখিতভাবে জানিয়েছিলেন।এর পরদিন জেলার ভৈরব পৌর শহরের কালিপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে ছাদের পলেস্তারা ধসে পড়ে। এ ঘটনার পর ঝুঁকিপূর্ণ ওই ভবনে ক্লাস নেওয়া বন্ধ হয়ে যায় বলে জানান প্রধান শিক্ষক সঞ্চিতা রানী সাহা।