ফিলিপাইনে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা জারিদুপুরের মধ্যে ১১ অঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কাসাংবাদিকতা নিয়ে সংসদে প্রশ্নট্রাম্পের আহ্বানে ইরানে হামলা পেছাতে ‘রাজি হয়েছেন’ নেতানিয়াহুইরান থেকে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ
No icon

সুপ্রিম কোর্টে মামলার জালিয়াতি রোধে অ্যাটর্নি জেনারেলের নির্দেশনা

উচ্চ আদালতে বিচারিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত ও মামলার নোটিশ সংক্রান্ত জালিয়াতি প্রতিরোধে পাঁচ দফা নির্দেশনা দিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

মঙ্গলবার অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনার কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে নোটিশ প্রদানের বিদ্যমান পদ্ধতিতে কিছু ত্রুটি এবং কিছু ক্ষেত্রে ক্লার্ক ও কার্যালয়ের কর্মচারীদের যোগসাজশে নোটিশ জালিয়াতির অভিযোগ কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। অবকাশকালীন এনেক্স ভবনের ১৪ নম্বর আদালতে কয়েকটি মামলার এফিডেভিটকৃত মূল আবেদনের টেন্ডার নম্বরের সঙ্গে নোটিশে উল্লেখিত টেন্ডার নম্বরের অসঙ্গতি ধরা পড়ে। পরে একই আদালতে তালিকাভুক্ত আরও বেশ কয়েকটি মামলায় একই ধরনের গরমিল পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় কোনো অসৎ উদ্দেশ্য বা অনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা থাকতে পারে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন মামলায় সনাক্তকারী আইনজীবী ও নোটিশে স্বাক্ষরকারী আইনজীবীর মধ্যে অমিলও পাওয়া গেছে।

এ অবস্থায় অ্যাটর্নি জেনারেল পাঁচটি নির্দেশনা দিয়েছেন। নির্দেশনাগুলো হলো

১. মূল পিটিশনের সনাক্তকারী আইনজীবী ও নোটিশে স্বাক্ষরকারী আইনজীবী একই ব্যক্তি হতে হবে।

২. এফিডেভিট সম্পন্ন হওয়ার সাত দিনের মধ্যে নোটিশ জারি করতে হবে।

৩. জমাকৃত নোটিশে টেন্ডার নম্বর টাইপকৃত থাকতে হবে।

৪. এফিডেভিট সম্পন্নের পর মূল আবেদনপত্রের ফটোকপি ও ওকালতনামার উভয় পৃষ্ঠার অনুলিপি জমা দিতে হবে।

৫. কোনো মামলা এক আদালত থেকে অন্য আদালতে তালিকাভুক্ত হলে নতুন নোটিশের সঙ্গে পূর্ববর্তী আদালতে দাখিল করা নোটিশের অনুলিপি সংযুক্ত করতে হবে।

বিচারিক স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং অনিয়ম প্রতিরোধে এসব নির্দেশনা কার্যকর করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।