বজ্রবৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেতভোটারদের দশ আঙুলের ছাপ নেবে ইসিপিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ উদ্যোগকে কীভাবে আয়কর রিটার্ন জমা দেবেনজাতিসংঘে উঠছে একাত্তরের গণহত্যার স্বীকৃতির দাবি
No icon

স্বপ্নপূরণের ফাইনাল আজ

সাফ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে ভারত ফাইনাল খেলবে এবং শিরোপা জিতবে- এত দিন টুর্নামেন্টে এটাই যেন একপ্রকার রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছিল। অবশেষে প্রতিযোগিতার ষষ্ঠ আসরে পাল্টে গেছে প্রথাগত নিয়ম। সাবিনা-কৃষ্ণাদের বিপক্ষে গ্রুপপর্বে বিধ্বস্ত হওয়া ভারত সেমিফাইনালে বিদায় নিয়েছে নেপালের হাত ধরে। এবার স্বপ্নের ফাইনালের অপেক্ষা। বাংলাদেশের স্বপ্নপূরণের ম্যাচে শেষ বাধা স্বাগতিক নেপাল। আজ বিকেলে কাঠমান্ডুর রশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ।টুর্নামেন্টে যেই জিতুক হতে যাচ্ছে ইতিহাস। সাফ নারী ফুটবল পাবে নতুন চ্যাম্পিয়নকে। দুটো দলই ভারতের কাছে স্বপ্ন জমা দিয়ে এসেছে। নেপাল তো ৪ বার ফাইনালে উঠেও শিরোপা জিততে পারেনি ভারতের কাছে। এবার শেষ চারের ম্যাচে সেই দলটিকে ১-০ গোলে হারিয়ে কিছুটা হলেও প্রতিশোধ নিয়েছে নেপাল। আর গ্রুপপর্বে ভারতকে ৩-০ গোলে হারায় বাংলাদেশ।২০১০, ২০১২, ২০১৪ ও ২০১৯ সালে ফাইনাল খেলেছে নেপাল। মাঝে ২০১৬ সালের ফাইনালের টিকিট কেটেছিল বাংলাদেশ। ৫টি আসরেই বিজয়ের হাসি হেসেছে ভারত। এবারের আসরে ভারতীয়দের এক ঘা মেরেছে দুই ফাইনালিস্টই। সেমিফাইনালে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধে ১-০ গোলে জেতে স্বাগতিক শিবির। তবে ফাইনালের টিকিটের জন্য অমন কাঠখড় পোড়াতে হয়নি গোলাম রব্বানি ছোটনের ছাত্রীদের। ভুটানকে গোলের মালা পরিয়ে ফাইনালের মঞ্চে নাম লিখিয়েছেন তারা।

সেই ম্যাচে বাংলাদেশ জিতেছে ৮-০ গোলে। বিশাল ওই জয়ে সাবিনা-কৃষ্ণাদের আত্মবিশ^াস বাড়িয়ে দিয়েছে কয়েক গুণ। কিন্তু শিরোপা জেতা কঠিন। কারণ, নেপালের তুলনায় দুটি জায়গায় বাংলাদেশ পিছিয়ে আছে। প্রথমটি হচ্ছে, রাব্বানীর দলকে লড়তে হবে প্রতিপক্ষের মাঠে। ঘরের মাঠ ও পরিচিত দর্শকদের সামনে লড়াই করতে পারার বাড়তি অনুপ্রেরণা নেপালই পাচ্ছে। দ্বিতীয়ত, মুখোমুখি লড়াইয়েও বাংলাদেশের তুলনায় এগিয়ে আছে নেপালিজরা। এ পর্যন্ত তিনবারের দেখায় প্রতিবারই হেরেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এর মধ্যে দুবার সেমিফাইনালেই নেপালের কাছে হেরে ছিটকে গিয়েছিল বাংলাদেশ।২০১০ সালে প্রথমবার নেপালের বিপক্ষে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত হয় বাংলাদেশ। সবশেষ ২০১৯ সালে গ্রুপপর্বের ম্যাচটার ফলও একই। এর মাঝে ২০১৪ সালে সেমিতে ১-০ গোলে হার। এবারের ম্যাচটা তাই বাংলাদেশের জন্য প্রতিশোধের মঞ্চ হিসেবে তৈরি করেছে। আর নেপালের কাছে ফাইনালটা ইতিহাসের পুনরাবৃত্তির। তবে নেপাল ফেভারিট হলেও ম্যাচজুড়ে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বাংলাদেশ দল।