দেশে এক দিনে চল্লিশের বেশি মৃত্যুদেশে করোনার ভারতীয় ধরন শনাক্তবিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন আজ শপিং মলে ভিড়, বালাই নেই স্বাস্থ্যবিধিরআজ থেকে ফেরিতে যাত্রী পারাপার বন্ধ
No icon

বিএনপির ৭ মার্চ পালনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত ওবায়দুল কাদেরের

<বিএনপির ঐতিহাসিক ৭ মার্চ পালনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ৭ মার্চকে যারা এতদিন নিষিদ্ধ করে রেখেছিল তারাই এখন ৭ মার্চ পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিএনপির এই প্রচেষ্টা দেশের রাজনৈতিক পরিবেশে ইতিবাচক আবহ তৈরি করবে।বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন। উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু সবার। তাকে মর্যাদার আসনে অভিষিক্ত করার অর্থই হচ্ছে দেশ ও স্বাধীনতার মূল্যবোধকে সম্মানিত করা। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু দিয়েছেন একটি স্বাধীন রাষ্ট্র, ভৌগোলিক মুক্তি। পক্ষান্তরে তারই সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা দিয়েছেন অর্থনৈতিক মুক্তি এবং ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্তির রোল মডেল। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধ দেশে উন্নীত করার শেখ হাসিনার স্বপ্ন সফল করতে শিশুদের যোগ্য নাগরিক হয়ে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান তিনি।বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনাই হবে নতুন প্রজন্মের রোল মডেল উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, তারা অনুকরণীয় আদর্শ। তাদেরকে স্মরণ করেই এগিয়ে যেতে হবে। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ইতিহাসের পায়ে শেকল পরিয়ে রাখা হয়েছিল, করা হয়েছিলো বিকৃত। তাই তরুণদের দেশ ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে হবে।

বর্তমান বিশ্বে সেরা তিনজন রাষ্ট্রপ্রধানের একজন শেখ হাসিনা একথা উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন,৭৫ পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যরা কেউ গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে দেননি।বঙ্গবন্ধুর পরিবারের কেউ হাওয়া ভবন সৃষ্টি করেনি বলেও উল্লেখ করেন তিনি। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের সদস্যরা আগামীতে সোনার মানুষ তৈরি করবে বলে এ সময় আশাবদ ব্যক্ত করেন ওবায়দুল কাদের। আয়োজক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান রকিবুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু, সিরাজুল ইসলাম মোল্লা, আনোয়ারুল আবেদিন তুহিন, সংগঠনের মহাসচিব মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী এবং সাংগঠনিক সচিব কে এম শহীদুল্লাহ।