ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনার জন্য পাকিস্তানে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ।এদিকে গতকাল শুক্রবারইপাকিস্তানে পৌঁছেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির নেতৃত্বে ইরানের প্রতিনিধিদল।ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি শুক্রবার সন্ধ্যায় ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন।পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাকিস্তানের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন জানিয়ে ইসমাইল বাঘায়ি বলেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কোনো বৈঠকের পরিকল্পনা নেই। ইরানের পর্যবেক্ষণগুলো পাকিস্তানের কাছে তুলে ধরা হবে।বাঘায়ির এই মন্তব্যের আগে তেহরানের কাছে একটি ভালো চুক্তি করার সুযোগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। তিনি বলেছেন, তাদের যা করতে হবে তা হলো পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগ করা এবং তা হতে হবে অর্থবহ ও যাচাইযোগ্য উপায়ে।
শুক্রবার এক ব্রিফিংয়ে হেগসেথ বলেন, তেল পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান অবরোধ বাড়ছে এবং বৈশ্বিক হয়ে উঠছে।এদিকে ইরানিরা আলোচনা করতে চায় জানিয়ে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট বলেছেন, আলোচনা সফল হচ্ছে প্রমাণিত হলে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স তাতে অংশ নেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছেন।বিবিসি বলছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর হামলা শুরু করে এবং এর পরপরই তেহরান হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করে। যুদ্ধরত পক্ষগুলোর এমন পদক্ষেপের ফলে বিশ্বজুড়ে তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে গেছে।শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে লিভিট বলেন, ট্রাম্প উইটকফ এবং কুশনারকে ইসলামাবাদে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ইরানিদের কথা শোনার জন্য।তিনি আরও যোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট সবসময় কূটনীতিকে একটি সুযোগ দিতে প্রস্তুত। গত কয়েক দিনে আমরা ইরানের পক্ষ থেকে কিছু অগ্রগতি অবশ্যই দেখেছি।