লোডশেডিং কমাতে ফার্নেস অয়েলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জোররাজধানীতে বাসায় ঢুকে যুবককে গুলিকুষ্টিয়ায় পানিবন্দি ৪০ গ্রামের মানুষবিয়ের অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে সড়কে ঝরল ৪ প্রাণসৌদির সামরিক ঘাঁটিতে হামলার দাবি হুতিদের, ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন স্থাপনা
No icon

পুলিশি নির্যাতনের প্রতিবাদে ভারতজুড়ে বিক্ষোভের ডাক ‘ককরোচ পার্টির’

ভারতের বিভিন্ন স্থানে চলমান পুলিশি নির্যাতনের প্রতিবাদে আগামী শুক্রবার (২৪ জুলাই) দেশব্যাপী 'শান্তিপূর্ণ' বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে জনপ্রিয় সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনকারী গোষ্ঠী ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)।

রাজনৈতিক পডকাস্ট সিরিজ

গত ২০ জুলাই ভারতের পার্লামেন্ট অভিমুখে আয়োজিত সফল পদযাত্রার পর এই নতুন কর্মসূচির কথা জানাল সংগঠনটি। “প্রতিটি জেলা, এক দিন, এক দাবি”—এই বার্তা নিয়ে প্রকাশিত ব্যানারে দেশের সাধারণ মানুষকে পুলিশি নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। এই কর্মসূচি সফল করতে স্থানীয় ছাত্র ইউনিয়ন ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনকে সার্বিক সহায়তার নির্দেশনা দিয়েছে দলটি।

সাতায়ার বা ব্যঙ্গ থেকে গণআন্দোলন
উল্লেখ্য, ভারতের প্রধান বিচারপতি দেশের তরুণ প্রজন্মকে 'পরজীবী' ও 'ককরোচ' (তেলাপোকা বা আরশোলা) বলে অভিহিত করে বিতর্কিত মন্তব্য করার পর তার প্রতিবাদেই মূলত এই দলটির জন্ম। যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক যোগাযোগ বিষয়ে অধ্যয়নরত ভারতীয় শিক্ষার্থী অভিজিৎ ডিপকে প্রথমে স্যাটায়ার বা রসাত্মক উদ্যোগ হিসেবে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ গঠন করেছিলেন।

তবে প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভারতীয় তরুণদের মাঝে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে আন্দোলনটি। ইনস্টাগ্রামে দলটির অনুসারী (ফলোয়ার) সংখ্যা ইতোমধ্যে ২ কোটি ৩০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে—যা ভারতের বর্তমান ক্ষমতাসীন দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) চেয়েও (৯৪ লাখ) দ্বিগুণের বেশি।

বিপুল জনসমর্থন থাকলেও প্রথাগত রাজনৈতিক দলগুলোর মতো দেশজুড়ে বিশাল কর্মসূচি পরিচালনা করার জন্য যে ধরনের সুসংগঠিত কর্মী বাহিনী প্রয়োজন, তা এখনও সিজেপির নেই। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তাদের এই ডিজিটাল জনপ্রিয়তা এখন রাজপথে বাস্তবায়িত হচ্ছে। রাজধানী দিল্লি থেকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ আন্দোলন ইতোমধ্যে মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, কলকাতা, পাটনা, চেন্নাই এবং গুয়াহাটির মতো ভারতের প্রধান প্রধান নগরীগুলোতে ছড়িয়ে পড়েছে।