তিনদিনেও রিমান্ডে নেয়া যায়নি প্রদীপ-লিয়াকতকেএবার রেডিওতে প্রাথমিকের পাঠদান সম্প্রচারএ মৌসুমে আর বন্যা হবে নাহাসপাতালে ‘অভিযান’ চালানোর বিপক্ষে স্বাস্থ্যমন্ত্রীওসি প্রদীপ ও তার স্ত্রীর সম্পদের অনুসন্ধানে দুদক
No icon

ঈদে অগ্রিম টিকিট বিক্রির চিন্তা নেই

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে গণপরিবহনে অগ্রিম টিকিট বিক্রির প্রস্তুতি নেই। যে গতিতে যাত্রী পরিবহন চলছে একইভাবে ঈদযাত্রা চলতে পারে বলে আভাস দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। রেল কর্মকর্তারা জানান, করোনা পরিস্থিতিতে এবার রেলে কোনো বিশেষ আয়োজন নেই। বাড়বে না ট্রেনের সংখ্যা। এমনকি অগ্রিম টিকির বিক্রির চিন্তা করা হয়নি এখন পর্যন্ত। বাসের টিকিটও স্বাভাবিকভাবে বিক্রি হবে।ধারণা পাওয়া যায়, প্রতিবছর ঈদের ৫ দিনে ট্রেনে অন্তত ১৫ লাখ যাত্রী যাতায়াত করেন। প্রতিদিন গড়ে তিন লাখ। বর্তমানে ১৭ জোড়া ট্রেন চলছে। এসব ট্রেনে ৩০ হাজারের মতো যাত্রী দিনে পরিবহন সম্ভব। রেল মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুসারে, অর্ধেক আসনের টিকিট বিক্রি হচ্ছে। দিনে গড়ে হাজার দশেক যাত্রী তোলে রেল। ঈদকেন্দ্রিক বাড়তি প্রস্তুতি নেই সংস্থাটির। একই অবস্থা সড়কপথেও। গত ১ জুন থেকে সীমিত আকারে সড়কপথে যাত্রী পরিবহন শুরু হয়েছে। করোনা আতঙ্কে মানুষ একান্ত প্রয়োজন ছাড়া বাসা থেকে বের হন না। তাই আশানুরূপ যাত্রী নেই বাসে ঢাকা মহানগরীর মতো দূরপাল্লার রুটেও। গণপরিবহন চালুর শুরুর দিকে ৯০ শতাংশ আসন পূর্ণ করে চলেছে বাসগুলো। এর পর যাত্রী কমতে থাকে। এখন অর্ধেক আসনই খালি থাকছে।করোনায় লকডাউনের পর বিকল্প বাহন প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাসে যাত্রী পরিবহন বেড়ে যায়। স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি বিবেচনায় এখনো সেভাবেই চলছেন অনেকে। একান্ত বাধ্য হলে বাস-মিনিবাসে চড়েন মানুষ। এদিকে যাত্রী না পাওয়ায় ঈদে দূরপাল্লার রুটে ভাড়া বাড়ানোর চিন্তা করছেন পরিবহন মালিকরা। তবে ঈদ উপলক্ষে অগ্রিম টিকিট বিক্রির পরিকল্পনা নেই তাদের।

বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রমেশ চন্দ্র ঘোষ জানান, অগ্রিম টিকিট বিক্রির সিদ্ধান্ত হয়নি এখনো। যাত্রী নেই, তাই ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক শামসুজ্জামান বলেন, এবার ঈদে ট্রেনে অগ্রিম টিকিট বিক্রির ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। হয়ত সীমিত আকারে বর্তমানে যেভাবে ট্রেন চলছে সেভাবে চলবে।একই অবস্থা লঞ্চে যাত্রী পরিবহনেও। ঢাকা থেকে দক্ষিণাঞ্চলের অন্তত ৪২টি গন্তব্যে চলে লঞ্চ। সেসব জায়গায় কেবিনের আগাম টিকিট দেওয়া হয়। এবার ঈদে সে রকম পরিকল্পনা নেই বলে জানান লঞ্চ মালিকরা। চাহিদা কম থাকায় এমন অবস্থা তৈরি হয়েছে বলে লঞ্চ মালিকরা মনে করছেন। কেবল লঞ্চ নয়, সড়ক ও রেলপথেও যাত্রী কম হতে পারে। কারণ সরকারি বেসরকারি চাকরিজীবীদের কর্মস্থলে থাকার ব্যাপারে মত দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পযন্ত এবারের ঈদে যাত্রী কম হতে পারে বলেই ধরে নেওয়া হচ্ছে।