রিফাত হত্যা মামলায় রায় আজ, আদালতপাড়ায় নিরাপত্তা জোরদারকরোনার টিকা সংগ্রহে ৩০ লাখ ডলার দিচ্ছে এডিবিচলন্ত বাস থেকে ফেলে হত্যা, চোখের জলে বিচার ও ক্ষতিপূরণ চাইলেন স্ত্রীশিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে স্নাতক নির্ধারণ চেয়ে আইনি নোটিশশিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত শিগগিরই
No icon

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দিতে চিন্তা-ভাবনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়

শিক্ষা মন্ত্রণালয় স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়ার ব্যাপারে আলাদাভাবে চিন্তা-ভাবনা করছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত না নিয়ে এখন করোনা পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ওপর ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার ভার্চুয়াল বৈঠকে এই অনুমোদন দেয়া হয়।বৈঠক শেষে দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব সাংবাদিকদের এমন তথ্য জানান।মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, কেন্দ্রীয়ভাবে নয়, স্ব স্ব মন্ত্রণালয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।উল্লেখ্য, বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের পর গত ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। তবে অনলাইনে পাঠদান চলছে। কবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলবে সেই অপেক্ষায় শিক্ষার্থীরা। এরই মধ্যে পিইসি পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা পিছিয়ে দেয়ার চিন্তা-ভাবনা চলছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) আইন, ২০২০-এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আগে ছয় মাস আগে নির্বাচন করতে হতো। তখন শপথে অনেক দিন অপেক্ষা করতে হয়। আইনটি পাস হলে নির্বাচন তিন মাস আগে হবে। শপথ নেয়ার পর ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে দায়িত্ব নেবেন জনপ্রতিনিধি। সিটি নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা বছরে তিন মাসের বদলে এক মাস ছুটি পাবেন।খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, দেখা গেছে, বাস্তবে (সিটি কর্পোরেশন আইন অনুযায়ী) কাজ করতে গেলে কিছু অসুবিধা হয়। এখন নিয়ম রয়েছে (মেয়াদ উত্তীর্ণের আগে) ৬ মাসের (১৮০ দিন) মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। অন্যদিকে রয়েছে যেদিন তারা (মেয়র ও কাউন্সিলর) মিটিং করবে, সেই থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত তাদের সময় থাকবে। দেখা গেছে, ৪-৫ মাস আগে যদি নির্বাচন হয়ে যায়, শপথ হলেও তারা দায়িত্ব নিতে পারছে না এই কন্ট্রাডিকশনের জন্য। (মেয়াদ পূর্ণ না হাওয়ায়) অনেক দিন তাদের অপেক্ষা করতে হয়।তিনি বলেন, নির্বাচন তো বটেই, শপথ নেয়ার পরও তাদের অপেক্ষা করতে হয়। সে জন্য এটিকে একটু চেইঞ্জ করে নিয়ে আসা হয়েছে। (মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে) তিন মাসের মধ্যে নির্বাচন শেষ করতে হবে। যেদিন শপথ হবে এর ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে দায়িত্ব হস্তান্তর হয়ে যাবে।