শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত ৬ মন্ত্রণালয়ের বৈঠক সন্ধ্যায়পঞ্চম ধাপে ২৯ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ কালউৎকণ্ঠায় শিক্ষার্থীরা এখন ধৈর্যহারাস্কুল-কলেজ খোলার পরিবেশ পর্যালোচনা সভা শনিবারউন্নয়নশীল দেশের কাতারে বাংলাদেশ
No icon

জাল এনআইডিতে লুট হাজার কোটি টাকা

আর্থিক খাতে বহুল আলোচিত লুটেরার নাম পি কে হালদার। এই ব্যক্তি রিলায়েন্স ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) থাকাকালে জাল এনআইডি ব্যবহার করে ভুয়া দুই ব্যক্তির নামে ১৫০ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছেন। তাঁরা হলেন জেকে ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের মালিক ইরফান আহমেদ খান ও ভার্স মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজের মালিক ফয়সাল মুস্তাক। বাস্তবে ইরফান আহমেদ খান ও ফয়সাল মুস্তাক নামে কোনো ব্যক্তির অস্তিত্বই নেই। এই দুই নামে ভুয়া এনআইডি তৈরি করে ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করা হয়েছে। এনআইডি ও ট্রেড লাইসেন্সের ঠিকানাগুলোও ভুয়া।জেকে ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের নামে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং নামের আরেক আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকেও প্রায় ২০০ কোটি টাকা ঋণের নামে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এ ছাড়া এফএএস ফাইন্যান্স থেকে ১০০ কোটি টাকার মতো ভুয়া ঋণ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ জাল এনআইডিতে ভুয়া ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে তিনটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে পি কে হালদার ঋণের নামে আত্মসাৎ করেছেন প্রায় ৪৫০ কোটি টাকা।

একইভাবে কাগুজে প্রতিষ্ঠান দ্রিনান অ্যাপারেলস, ওয়াকামা লিমিটেড, পি অ্যান্ড এল, কণিকা, উইন্টেল ইন্টারন্যাশনাল, দেওয়া শিপিং, আরবি, বর্ণ, নিউট্রিক্যাল, মুন, আর্থস্কোপ, এমটিবি মেরিনসহ দুই ডজন কাগুজে প্রতিষ্ঠান দিয়ে পি কে হালদার ও তাঁর সহযোগীরা মোট চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে লুট করেছেন কয়েক হাজার কোটি টাকা। এ ক্ষেত্রে ১৪টি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে মাত্র দুটি ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে। আবদুল আলিম চৌধুরী নামের এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর মাধ্যমে পি কে হালদার দুবাইয়ে পাচার করেছেন শত শত কোটি টাকা।দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানে এসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে। বিষয়টির অনুসন্ধান করছেন দুদকের উপপরিচালক মো. গুলশান আনোয়ার প্রধান। দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পি কে হালদার ও তাঁর সহযোগীরা নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও জালিয়াতি করে ঋণের নামে লেয়ারিংয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও পুঁজিবাজারে টাকা সরিয়ে আত্মসাৎ করেন।