শবে বরাতের ইবাদত সম্পর্কে যা বললেন আল্লামা শফীনা.গঞ্জের মানুষ ছড়িয়ে পড়ছে জেলায় জেলায়ঢাকায় যে ৪৬ এলাকায় করোনা রোগী শনাক্তপ্রাণভিক্ষার আবেদন খুনি মাজেদেরস্পেনে ফের বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা
No icon

পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ২০ টাকা

স্থলবন্দরে গুজব ছড়িয়ে গত বৃহস্পতিবার দাম বাড়ার পর খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারে এখন পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে। গতকাল শনিবার বাজার শুরুর দিনে আড়তে ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। আর মিয়ানমারের পেঁয়াজ কেজি ৫০ টাকা, চীনা পেঁয়াজ কেজি ৪০ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজের দাম কমে কেজি ৪০ টাকায় নেমেছে।স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় পেঁয়াজ আসা বন্ধ হয়ে যাবে এই অজুহাতে গত বৃহস্পতিবার স্থলবন্দরেই পেঁয়াজ বিক্রি বন্ধ হয়ে যায়। এর প্রভাবে দেশের পাইকারি বাজারে মুহূর্তের মধ্যেই পেঁয়াজের বাজার চড়ে গিয়ে দাম কেজিতে ৬৫ টাকায় ওঠে।

 

ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই বাজারে থাকা মিয়ানমার, মিসর, তুরস্ক ও চীনের পেঁয়াজও চড়া দামে বিক্রি শুরু হয়। এর প্রভাবে দেশের খুচরা বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে হু হু করে দাম বাড়তে থাকে।কিন্তু বাস্তবে দেশের স্থলবন্দর দিয়ে ভারত ও মিয়ানমার দুই দেশ থেকেই পেঁয়াজ আসছে; মুহূর্তের জন্যও পেঁয়াজ আসা বন্ধ হয়নি বা বন্ধের কোনো ঘোষণা আসেনি। করোনাভাইরাস নিয়ে মানুষ যখন শঙ্কিত এর মধ্যেই ব্যবসায়ীদের একটি চক্র কারসাজি করে বাজার অস্থির করে তুলেছে।ঢাকা উদ্ভিদ সংগনিরোধ দপ্তরের পরিচালক ড. আজহার আলী কালের কণ্ঠকে বলেন, ফেব্রুয়ারিতে আবেদনকৃত সাড়ে ৬৫ হাজার টন পেঁয়াজ ভারত থেকে আমদানির জন্য ইমপোর্ট পারমিট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সেগুলো ধাপে ধাপে দেশে আসছে। মার্চ থেকে নতুন করে আমরা কোনো আইপি দিচ্ছি না; যেহেতু দেশে পেঁয়াজ উৎপাদনের ভরা মৌসুম।তিনি মনে করেন, বৃহস্পতিবার পেঁয়াজের যে দাম মুহূর্তেই বাড়ানো হয়েছে তা সম্পূর্ণভাবে কৃত্রিম এবং ব্যবসায়ীদের কারসাজি ছাড়া কিছুই নয়।

 

তা না হলে একই পেঁয়াজ কেমনে আজ কম দামে বিক্রি হয়।খাতুনগঞ্জ কাঁচা পণ্য আড়তদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইদ্রিস কালের কণ্ঠকে বলেন, গুজব ছড়িয়ে স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ এলেও সেটি দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হঠাৎ করেই বৃহস্পতিবার দাম বেড়ে যায়। আসলে পুরোটাই গুজব ছিল; কারণ শনিবার সকাল থেকেই আবার দাম কমে যায়। বৃহস্পতিবার ভারতীয় পেঁয়াজ মানভেদে কেজি ৫৫ থেকে ৬৫ টাকায় বিক্রি হয়েছিল; সেই পেঁয়াজ আজ (শনিবার) বিক্রি হয়েছে কেজি ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়। বিকেলে হয়তো আরো কমবে; কারণ বাজারে ক্রেতা কমেছে। তিনি নিজেও স্বীকার করেন পুলিশ এসে দাম বাড়ার খোঁজখবর নিচ্ছে এর প্রভাবেও দাম কমেছে। আর সকাল থেকেই ভারতীয় পেঁয়াজ এসেছে প্রচুর।