রেড জোনে থাকা সরকারী কর্মকর্তাদের অফিসে আসতে মানাকরোনায় প্রাণ হারালেন আরও এক চিকিৎসকসমস্যা এখন স্বাস্থ্যবিধি নিয়েবসুন্ধরা সিটি খুলতে পারে আগামী সপ্তাহেঅফিস-কারখানা ও পরিবহন আবার বন্ধ চান ৩৩৪ বিশিষ্ট নাগরিক
No icon

ঝুঁকি-ভোগান্তি সত্ত্বেও ঢাকা ছাড়ছে মানুষ

ঈদ সামনে রেখে ব্যস্ত এখন ঢাকার রাজপথ। যাত্রীবাহী বাস ছাড়া নির্বিঘ্নে চলছে সব ধরনের যানবাহন। সড়ক, ফুটপাতে মানুষ চলাচল অনেক গুণ বেড়েছে। খুলেছে প্রায় সব ধরনের দোকানপাট। গত মার্চে সাধারণ ছুটির শুরুর দিকে যে চিত্র ছিল ঢাকার, এখন তার পুরো উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সুরক্ষা ব্যবস্থা ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার চেষ্টা লোকজনের মাঝে খুব একটা দেখা যাচ্ছে না।করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ঢাকায় প্রবেশ ও বের হওয়া বারণ কার্যত এ নিষেধাজ্ঞা কেউই মানছে নানা। অনেকটা পুলিশের চোখের সামনেই ঢাকা ছেড়ে দলে দলে গ্রামমুখী হচ্ছে মানুষ। নিষেধাজ্ঞা আমান্য করে বিভিন্ন কৌশলে চলাচল করছে তারা। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় প্রতিদিনই ব্যক্তিগত যানবাহন ছাড়াও পণ্য পরিবহনের গাড়িতে লুকিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি যাচ্ছে অনেকে; যদিও রাজধানীর বিভিন্ন প্রবেশ ও বহির্গমন পথে চেকপোস্ট বসিয়েছে পুলিশসহ অনান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

তবে এতে খুব একটা নিয়ন্ত্রণে আসছে না পরিস্থিতি। গাবতলী, উত্তরা, বাবুবাজার, সায়েদাবাদ চেকপোস্টে পুলিশের উপস্থিতিতেই ঢাকা ছাড়ছে মানুষ। অনেকেই চেকপোস্ট এলাকা হেঁটে পার হচ্ছে। তারপর গাড়িতে উঠে চলে যাচ্ছে গন্তব্যপথে। অনেককে দীর্ঘ পথ শুধু হেঁটে পেরোতে দেখা যায়। ঢাকা থেকে যেমন দলে দলে লোক গ্রামে ফিরছে, তেমনি অবাধে ঢাকায় প্রবেশও করছে অনেকে। ফলে ফের যানজটে স্থবির ঢাকা।পুলিশি নজরদারির মধ্যেই সব মিলিয়ে এখন রাজধানীর সব কিছুই শিথিল। অথচ রাজধানীতে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছেই। কিন্তু গত কয়েক দিনের মতো বৃহস্পতিবারও রাজধানীর সড়কে সড়কে যানজট দেখা গেছে। যানজট ও মানুষের অবাধ চলাচলে করোনার ঝুঁকি বেড়েই চলছে। সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ফুটপাতের পাশাপাশি পাইকারি-খুচরা দোকান বসেছে। সেই সঙ্গে সড়কে বেড়েছে মানুষের চলাচল। অনেক সড়কে গাড়ির চাপের কারণে সৃষ্টি হচ্ছে যানজটের। বাড্ডা, বনানী, মিরপুর, ফার্মগেট, যাত্রাবাড়ী, পুরান ঢাকা এলাকায় যানজট লেগেই থাকছে।