বাংলাদেশকে বন্ধুরাষ্ট্র বললেও নিরীহ মানুষ হত্যা করছে ভারত: কিরিটি রায়ভাষানচরে স্থানান্তর রোহিঙ্গাদের ইচ্ছায় হতে হবে : ইউএনএইচসিআরঅতিরিক্ত যাত্রী ওঠায় ছিঁড়ে পড়ে লিফটটিব্রিটেনে একরাতে পাঁচ মসজিদে হামলা, ভাঙচুরআমরা আমাদের শিক্ষাকে ‘ব্র্যান্ডিং’ করতে চাই : দীপু মনি
No icon

প্রতিবেশীর যে অধিকার গুলো গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন

বাড়ি কিংবা বাসায় বসবাসকারীরা তার প্রতিবেশির ক্ষতি হবে এমন কোনো কাজের প্রতি ইসলাম সমর্থন করে না। কেননা ইসলামে প্রতিবেশির কিছু হক বা অধিকার আছে। যা পালন করা প্রত্যেক প্রতিবেশির জন্য ওয়াজিব। তাইতো প্রতিবেশির অধিকারে গুরুত্ব দেয়াও উত্তম ইবাদত। প্রতিবেশির ক্ষতি হয় এমন কোনো কাজ করা অন্য প্রতিবেশির জন্য হারাম বা নিষিদ্ধ। কোনো প্রতিবেশি এমন শক্তিশালী মেশিন বা আগুনের চুলা ব্যবহার করে যাতে তার অন্য প্রতিবেশির ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এসবক্ষেত্রে অন্য প্রতিবেশির অধিকার হরণ করা ইসলামে নিষিদ্ধ। আবার এক প্রতিবেশি তার অন্য প্রতিবেশির অধিকারের প্রতি এমন দায়িত্বশীল আচরণ করা উচিত, যাতে উভয়ে লাভবান হয়। যেমন

- এক প্রতিবেশী অন্য প্রতিবেশির আত্মীয়তা সম্পর্ক অটুট রাখা।
- একে অন্যের প্রতি ইহসান ও সদ্ব্যবহার করা।
- অন্য প্রতিবেশি কষ্ট পায় এমন কথা, কাজ বা অবস্থা থেকে বিরত থাকা।
- আবার কোনো প্রতিবেশি যদি এমন কোনো কাজ করে বসে যে অন্য প্রতিবেশির কষ্ট হয়, তবে তাকে কষ্টের ওপর ধৈর্যধারণ করা।

দুনিয়াতে সঙ্গী বানাবেন কাকে?

প্রত্যেক প্রতিবেশির জন্য এ কাজগুলোর প্রতি যথাযথ গুরুত্ব দেয়া এবং পরস্পরের অধিকারের প্রতি লক্ষ্য রাখাকে ইসলাম আবশ্যক করেছে। হাদিসে পাকে এসেছে-

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, জিবরিল আলাইহিস সালাম আমাকে সব সময় প্রতিবেশির (হক বা অধিকারের) ব্যাপারে অসিয়ত করেন। এমনকি আমি ধারণা করতেছিলাম যে, তিনি প্রতিবেশীকে (ওয়ারিশদের মতো প্রতিবেশিদেরকেও সম্পদের) উত্তরাধিকারী বানিয়ে দেবেন। (বুখারি ও মুসলিম)

সুতরাং শহর কিংবা গ্রামে, নিজ বাড়ি কিংবা ভাড়া বাসায় মালিক এবং ভাড়াটিয়া অথবা অন্য প্রতিবেশি যে-ই হোক না কেন, প্রত্যেকের জন্যই প্রতিবেশির হক বা অধিকারের প্রতি গুরুত্ব দেয়া ওয়াজিব। যদি কেউ কোনো প্রতিবেশির হক বা অধিকারের ওপর হস্তক্ষেপ করে, তাহলে এটা তার জন্য হারাম বা নিষিদ্ধ হিবেসে বিবেচিত হবে।