টঙ্গীতে বাসায় গ্যাস বিস্ফোরণ, দগ্ধ ১০ঢাকার তাপমাত্রা নিয়ে দুঃসংবাদবিশ্ববাজারে ফের আঘাত হানতে পারে মূল্যবৃদ্ধির ঢেউকোলাহল থেমে মৃত শহরে পরিণত হচ্ছে তেহরান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ২৭ ফ্লাইট ক্রু’কে দেশে ফিরিয়ে এনেছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স
No icon

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় প্রাণহানি আরও ৬৪

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় আরও অন্তত ৬৪ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও বহুসংখ্যক মানুষ। গতকাল শুক্রবার ভোর থেকে রাতের মধ্যে তা হতাহত হয়েছেন।গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতদের অধিকাংশই উপত্যকার প্রধান শহর গাজা সিটি ও উত্তর গাজার বাসিন্দা। তবে গতকাল মধ্য, উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চল অর্থাৎ সর্বত্র ব্যাপক হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েল।বর্তমানে গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফার কাছে শাবৌর এবং তেল আস সুলতান এলাকায় ঘাঁটি গেড়েছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। সূত্রের বরাতে জানা গেছে, এই দুই ঘাঁটি থেকেই পরিচালনা করা হয়েছে সর্বশেষ এই হামলা।ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ ফের জানিয়েছেন, ইসরায়েল তার যুদ্ধের লক্ষ্য অর্জনের জন্য বদ্ধপরিকর। জিম্মিদের মুক্তি ও হামাসকে পরাজিত করা ইসরায়েলের সেনাবাহিনী এখন চূড়ান্ত বিজয়ের পথে এগোচ্ছে।

গতকাল শুক্রবার ছিল খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র দিন গুড ফ্রাইডে। ইসরায়েলের ব্যাপক হামলার মধ্যেই স্থানীয় গির্জাগুলোতে অনাড়ম্বরহীনভাবে ধর্মীয় আচার-আনুষ্ঠানিকতা পালন করেছেন গাজার খ্রিস্টানরা।২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের ভূখণ্ডে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায় গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী হামাসের যোদ্ধারা। এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে ১ হাজার ২০০ জনকে হত্যার পাশাপাশি ২৫১ জনকে জিম্মি হিসেবে ধরে নিয়ে যায় তারা। জিম্মিদের মুক্ত করতে ওই দিন থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। ১৫ মাসেরও বেশি সময় ধরে টানা অভিযান চালানোর পর যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যস্থতাকারী অন্যান্য দেশগুলোর চাপে বাধ্য হয়ে গত ১৯ জানুয়ারি গাজায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে ইসরায়েল। কিন্তু বিরতির দু’মাস শেষ হওয়ার আগেই গত ১৮ মার্চ থেকে ফের গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে আইডিএফ। দ্বিতীয় দফার এ অভিযানে গত ১ মাসে গাজায় নিহত হয়েছেন দেড় হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি, আহত হয়েছেন আরও বহুসংখ্যক।