করোনা আতঙ্কে বাংলাদেশ ছেড়েছেন ৯ শতাধিক বিদেশিদেশের স্বার্থে কঠোর আইনের প্রয়োগ, অডিওবার্তায় পুলিশকরোনা মোকাবেলায় সর্বদলীয় বৈঠকে বসছেন নরেন্দ্র মোদিকরোনা মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে যমুনা গ্রুপের ১০ কোটি টাকা হস্তান্তরপ্রণোদনার আওতায় থাকবেন দেশের সবাই: অর্থমন্ত্রী
No icon

মিসরের সাবেক স্বৈরশাসক হোসনি মোবারকের মৃত্যু

মিসরের সাবেক স্বৈরশাসক হোসনি মোবারক মৃত্যুবরণ করেছেন। ৯১ বছর বয়সে মঙ্গলবার কায়রোর একটি হাসপাতালে মারা যান তিনি। মিসরের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাতে আল জাজিরা ও ডেইলি সাবাহ জানিয়েছে, গত শনিবার হোসনি মোবারকের অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল। এর কয়েক দিন পরই মৃত্যুবরণ করেন দেশটির সাবেক এ স্বৈরশাসক। হোসনি মোবারক ১৯২৮ সালের ৪ই মে জন্মগ্রহণ করেন। তার আসল নাম মুহাম্মদ হোসনি সাইদ মুবারাক। তার বাবা ছিলেন বিচার মন্ত্রণালয়ের একজন ইন্সপেক্টর। ৯১ বছর বয়সী হোসনি মোবারক ১৯৮১ সালে আনোয়ার সাদাত নিহত হওয়ার পর মিসরের প্রেসিডেন্ট হন। টানা তিন দশকের বেশি সময় তিনি মিসর শাসন করেন।

২০১১ সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া ১৮ দিনের গণবিপ্লবে ওই বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি ক্ষমতাচ্যুত হন মোবারক। বিপ্লবের দিনগুলোতে তার নির্দেশে ২৩৯ বিক্ষোভকারী নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত হন।

বিক্ষোভকারী হত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে ২০১২ সালে নিম্ন আদালত হোসনি মোবারককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছিল। কিন্তু ওই রায়ের বিরুদ্ধে দুইবার উচ্চ আদালতে আপিল করেন মোবারক।

বিপ্লবের দিনগুলোতে নিহতদের স্বজনরা আপিল আদালতের রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা ওই গণহত্যার জন্য মোবারকের পাশাপাশি বর্তমান প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আস-সিসিরও বিচার দাবি করেছেন।

বর্তমান প্রেসিডেন্ট সিসি ওই সময় (হোসনি মোবারক শাসনামলে) সেনা গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান ছিলেন।

পরবর্তীতে দেশটির প্রথম নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মাদ মুরসি জেনারেল সিসিকে সেনাপ্রধান পদে নিয়োগ দেন এবং ২০১৩ সালের আগস্টে সিসির হাতেই ক্ষমতাচ্যুত হন তিনি।

সরকারি তহবিল তসরুফের অভিযোগে এরই মধ্যে তিন বছরের কারাদণ্ড ভোগ করেছেন হোসনি মোবারক।

সাবেক এই একনায়কের বিরুদ্ধে বিপ্লব-পরবর্তী দিনগুলোতে আরও বহু অভিযোগ আনা হয়েছিল। সেসব অভিযোগের প্রায় সবগুলোতে তিনি নিজের শাসনামলে স্থাপিত বিচার বিভাগের কাছ থেকে বেকসুর খালাস পান।