বজ্রবৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেতভোটারদের দশ আঙুলের ছাপ নেবে ইসিপিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ উদ্যোগকে কীভাবে আয়কর রিটার্ন জমা দেবেনজাতিসংঘে উঠছে একাত্তরের গণহত্যার স্বীকৃতির দাবি
No icon

পরিচালক ছাড়াই চলছে শিক্ষা প্রকৌশলের ১৫ প্রকল্প

বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য একজন প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ বা প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব পালনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এছাড়া ৫০ কোটি টাকার ঊর্ধ্বে প্রাক্কলিত ব্যয়ের প্রকল্পের জন্য পূর্ণকালীন প্রকল্প পরিচালক নিয়োগের বিধান রয়েছে।তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আওতাধীন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ইইডি) ১৫টি প্রকল্পে পরিচালক (পিডি) নিয়োগ দেওয়া হয়নি। পিডি ছাড়াই বছরের পর বছর চলছে এসব প্রকল্প।প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এক পরিপত্রে জানানো হয়, নতুন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন সংক্রান্ত বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী অনুশাসন জারি করেছেন। পরিপত্র বাস্তবায়নে সব দপ্তর ও সংস্থায় পাঠানো হয়েছে। অনুশাসন যথাযথভাবে প্রতিপালনে সব দপ্তর ও সংস্থা প্রধানদের নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।

২৫ জুলাই মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবু বকর ছিদ্দীকের সভাপতিত্বে এক সভায় এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়। সেখানে বলা হয়, চলতি অর্থবছরের এডিপি বরাদ্দ থেকে প্রথম কিস্তির অর্থ ছাড়ের আগেই সব প্রকল্পে বিধি অনুযায়ী পরিচালক নিয়োগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।ইইডির অধীন বাস্তবায়নাধীন ওই ১৫ প্রকল্পের একটি বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রব পাবলিক কলেজ, বিজিবি হেড কোয়ার্টার, ঢাকা-এর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পটি ১ জুলাই ২০১৭ সাল থেকে চলতি বছর ডিসেম্বর পর্যন্ত বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে। ২০২১-২০২২ অর্থবছরের জুন পর্যন্ত এর অগ্রগতি হয়েছে মাত্র ২১ শতাংশ। ফলে নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে না। জানা যায়, প্রকল্পটিতে বৈধ কোনো পরিচালক নেই।এ বিষয়ে জানতে চাইলে সচিব মো. আবু বকর ছিদ্দীক জাগো নিউজকে বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। দ্রুত সময়ে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। পরিচালক ছাড়া কাজের গতি কমে যায়। জবাবদিহিতার জায়গাটি দুর্বল হয়ে পড়ে।

দেখা গেছে, পরিচালক ছাড়া ইইডির বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পগুলোর মধ্যে আরও রয়েছে- খুলনায় পাইক গাছা কৃষি কলেজ স্থাপন, সদর দপ্তর ও জেলা কার্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর শক্তিশালীকরণ, কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার মালিগাউ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের উন্নয়ন, নির্বাচিত বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের উন্নয়ন, নির্বাচিত বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় সমূহের ঊর্দ্ধমুখী সম্প্রসারণ, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও রাজবাড়ী জেলার ৩টি কলেজ-এর অবকাঠামো উন্নয়ন।মিলিটারি কলেজিয়েট স্কুল, খুলনার অবকাঠামো উন্নয়ন, নোয়াখালী, কুমিল্লা ও ফেনী জেলার ২টি সরকারি ও ২টি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন, শেখ রাসেল উচ্চ বিদ্যালয়, সদর, গোপালগঞ্জ ও শেরে বাংলা বালিকা মহাবিদ্যালয়, সূত্রাপুর, ঢাকার অবকাঠামো উন্নয়ন, নির্বাচিত ৯টি সরকারি কলেজের উন্নয়ন, ঢাকা, মাদারীপুর ও রংপুর জেলার ৩টি কলেজের অবকাঠামো উন্নয়ন, কিশোরগঞ্জ জেলার হাওর এলাকায় নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের উন্নয়ন, হাওর এলাকার নির্বাচিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের উন্নয়ন এবং সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার ৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন।