তিন মোবাইল অপারেটরের ভ্যাট বকেয়া ২৩৩ কোটি টাকাআগামী নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকারজাতীয় রবীন্দ্রসঙ্গীত উৎসব ২৭-২৯ জানুয়ারিমানবপাচারে শীর্ষে সুন্দরবন অঞ্চলএক যুগের সর্বনিম্ন এডিপি বাস্তবায়ন
No icon

জ্বলানির দাম সমন্বয়ে রাখাই উদ্দেশ্য

কেবল দাম বাড়াতেই বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) আইন সংশোধন করা হয়নি। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে মিল রেখে সময়ে সময়ে দাম সমন্বয় করার জন্য তা করা হয়েছে। অর্থাৎ যখন প্রয়োজন দাম বাড়বে, আবার যখন প্রয়োজন দাম কমবে। জ্বলানি ও বিদ্যুৎ বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা বিষয়টি নিয়ে এমন মন্তব্য করেছেন।নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আইন সংশোধন মূলত করা হয়েছে জ্বলানির মূল্য প্রতিনিয়ত সমন্বয়ের লক্ষ্যে। বর্তমান প্রক্রিয়ায় এ জন্য ৯০ দিন সময় লাগে। অথচ বিশ্ববাজারে জ্বলানি পণ্যের দাম প্রতিনিয়ত ওঠানামা করে। মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা রয়েছে প্রতি মুহূর্তে না হোক অন্তত মাসে মাসে দাম সমন্বয়ের। একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায় জ্বলানি পণ্যে ভর্তুকি থেকেও সরে আসতে চায় সরকার। এ আইনের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত দাম সমন্বয়ের ক্ষমতা রাখবে মন্ত্রণালয়।

জ্বলানি বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, দরকার হলে দাম যেমন বাড়বে, তেমনি আবার কমবেও।উল্লেখ্য, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম সমন্বয় (বাড়ানো-কমানো) করার ক্ষমতা মন্ত্রণালয়ের কাছে রাখতে বিইআরসি আইন সংশোধন করছে জ্বলানি বিভাগ। যা এতদিন বিইআরসির একক ক্ষমতায় ছিল। গত সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সংক্রান্ত একটি আইনের খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম প্রস্তাব অনুমোদনের বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান।

এদিকে বিইআরসির আইনের পরিবর্তনের মাধ্যমে বিইআরসির ক্ষমতা কমিয়ে আনা হলো কিনা জানতে চাইলে কমিশনের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বলেন, বিষয়টি আমরা পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পেরেছি। আমরা কোনো লিগ্যাল চিঠি বা অফিসিয়ালি অবহিত হইনি। বিইআরসির পক্ষ থেকে সরকারের কাছে কোনো আবেদন করা হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের কোনো মতামত থাকলেও সেটা আনুষ্ঠানিকভাবে জানার পর সরকারকে জানানো হবে।