NEWSTV24
ছুটি শেষে নগরে ফিরতে পথে পথে ভোগান্তি
রবিবার, ১৭ জুলাই ২০২২ ১৬:০৩ অপরাহ্ন
NEWSTV24

NEWSTV24

ঈদের ছুটি শেষে গ্রাম থেকে নগরে ফিরতে লাখো মানুষ আগের দিনের মতো গতকাল শনিবারও দুর্ভোগে পড়েন। মহাসড়কে দুর্ঘটনা ও যানজট, অসহনীয় গরম, বাসে বাড়তি ভাড়া, খোলা ট্রাক-পিকআপে ফেরা, ফেরিঘাটে অপেক্ষা এবং গাদাগাদি ভিড়ে ঠাসা ট্রেন শিডিউল বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়েছেন কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীরা।১০ জুলাই ঈদের পর গত মঙ্গলবার থেকে অফিস-আদালত খুলেছে। পাঁচ দিন পর গতকালও রাজধানীর সড়ক ছিল ফাঁকা। ধারণা করা হচ্ছে, আজ রোববার সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে ফের চেনারূপে ফিরবে নগরী। তাই কর্মস্থলে ফিরতে গতকাল শহরমুখী যাত্রীর ঢল ছিল মহাসড়ক, ঘাট, লঞ্চ ও ট্রেনে।

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি জানিয়েছেন, আগের দিনের মতো গতকালও যমুনার বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপ্রান্তে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট ছিল। তবে সেতু থেকে ঢাকামুখী মহাসড়কের প্রায় ৩০ কিলোমিটারে দিনভরই ধীরগতিতে যান চলাচল করেছে। বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে গাজীপুরের চন্দ্রা পর্যন্ত ৭৭ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে ১০-১২ ঘণ্টা লেগেছে। ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে আলাদা দুই দুর্ঘটনায় যান চলাচল বন্ধ হওয়ায় গাড়িজট আরও বাড়ে।

ঢাকার প্রবেশমুখ গাবতলী, টঙ্গী, কাঁচপুরেও রাজধানীমুখী গাড়ির তীব্র চাপ ছিল। পদ্মা সেতু হয়ে আসা গাড়ির চাপ ছিল হানিফ ফ্লাইওভারে। শনিবার দুপুর ১টার দিকে দেখা যায়, ফ্লাইওভার থেকে চানখাঁরপুল, গুলিস্তান, সায়েদাবাদে নামার র;্যাম্পের টোল প্লাজায় গাড়ির দীর্ঘ সারি। বাগেরহাট থেকে প্রাইভেটকারে আসা মনতাজুল হক জানান, পদ্মা সেতু পার হয়ে এক্সপ্রেসওয়ের টোল প্লাজায় যানজটে আটকে ছিলেন আধাঘণ্টা। হানিফ ফ্লাইওভারে দেড় ঘণ্টা যানজটে পড়েন। যানজটের কারণে পদ্মার সুফল পাচ্ছেন না।

ভোগান্তি ট্রেনেও: ঈদের আগে যাত্রীর চাপে ঢাকা থেকে ট্রেন ছাড়তে দেরি করেছে। ঈদের পর ঢাকায় ট্রেন ফিরছে দেরিতে। নীলফামারীর চিলাহাটী থেকে নীলসাগর এক্সপ্রেস ভোর সাড়ে ৫টায় ঢাকায় ফেরে। ৬টা ৪০ মিনিটে কমলাপুর থেকে ফের চিলাহাটীর উদ্দেশে যাত্রা করে। গতকাল সকাল ১১টায়ও ফেরেনি ট্রেনটি। প্রায় সাত ঘণ্টা বিলম্বে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ট্রেনটি ঢাকায় আসে। রংপুর বিভাগের আট জেলা থেকে আসা সব ট্রেনই শনিবার দেরিতে ফিরেছে ঢাকায়।রেলওয়ে কর্মকর্তারা জানান, ঈদের আগে ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনে ছিল গাদাগাদি ভিড়। এখন ঢাকায় ফেরা ট্রেনে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। ছাদে উঠছেন হাজারো যাত্রী। সে কারণে ট্রেন নির্দিষ্ট গতিতে চলতে পারছে না। যাত্রীদের নিরাপত্তায় ধীরগতিতে ট্রেন চলায় গন্তব্যে দেরিতে পৌঁছাচ্ছে।