বর্জ্য অপসারণে কতটা প্রস্তুত ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন?ঈদের খুশি নেই, ছেলের কবরের পাশে বসে কাঁদছেন রিফাতের মানিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় প্রস্তুত শোলাকিয়াকোরবানির পশু জবাই ও মাংস প্রস্তুতে ২৫% খরচ বহন করবে ডিএনসিসিঈদের সকালে সর্বস্তরের জনগণের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী
No icon

নির্ধারিত স্থানে কোরবানি দিতে ও যত্রতত্র আবর্জনা না ফেলার আহ্বান

নগরবাসীদের সিটি কর্পোরেশনের নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি দিতে ও যত্রতত্র আবর্জনা না ফেলার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা উত্তরের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। রোববার বেলা আড়াইটায় রাজধানীর ভাষানটেক ও তেজগাঁও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট খেলার মাঠে পশুর হাট পরিদর্শনে গিয়ে মেয়র এ আহ্বান জানান। পরিদর্শনকালে মেয়র স্থানীয় বাসিন্দা, পশু ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কুশল বিনিময় করেন। ব্যবসায়ী, ক্রেতা ও এলাকার বাসিন্দারা পশুর হাটের সুন্দর ব্যবস্থাপনা করার জন্য মেয়রকে ধন্যবাদ জানান। এ সময় মেয়র বলেন, যত দ্রুত সম্ভব আমরা পশুর হাটের আবর্জনা ও অস্থায়ী স্থাপনা পরিষ্কার করে এলাকবাসীর চলাচল নির্বিঘ্ন করব। তিনি পশু কোরবানির বর্জ্য কোনোভাবেই যাতে কেউ ড্রেনে বা ম্যানহোলে না ফেলে সেদিকে এলাকাবাসীকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে বলেন।

নগরবাসীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা ডিএনসিসি কর্তৃক দেয়া ব্যাগে বর্জ্য ভরে নির্দিষ্ট স্থানে রেখে দিন, আমাদের কর্মীরা দ্রুততম সময়ে সেটি অপসারণ করবে। কিন্তু ড্রেনে বা যত্রতত্র আবর্জনা ফেললে সেটি পরিষ্কার করা দুরূহ হয়ে পড়বে এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠবে। নিজেদের এলাকা পরিচ্ছন্ন রাখতে নিজেদের সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। তিনি রাস্তায় যত্রতত্র পশু কোরবানি না করে সিটি কর্পোরেশন নির্ধারিত স্থানে কোরবানি করার আহ্বান জানান।

মেয়র সবাইকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানিয়ে নগরীর পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে ডিএনসিসির আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম শফিউল আজম ও হেমায়েত হোসেন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা খোন্দকার মো. নাজমুল হুদা শামিম, সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. সগীর হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।