নায়করাজ রাজ্জাক আর নেই মক্কার হোটেলে আগুন, সরিয়ে নেয়া হলো ৬০০ হজযাত্রী মক্কার হোটেলে আগুন, সরিয়ে নেয়া হলো ৬০০ হজযাত্রীপুলিশ প্রতি পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনে ঘুষ নেয় ৭৯৭ টাকা অনড় প্রধান বিচারপতি, দ্বিধাদ্বন্দ্বে সরকার
No icon

আপন জুয়েলার্সের বিরুদ্ধে আরও পাঁচ মামলা

চোরাচালানের মাধ্যমে প্রায় ১৫ মণ সোনা ও ডায়মন্ড আটকের ঘটনায় এবং এসব মূল্যবান সামগ্রী কর নথিতে অপ্রদর্শিত ও গোপন রাখার অভিযোগে আপন জুয়েলার্সের বিরুদ্ধে মুদ্রা পাচার প্রতিরোধ আইনে পাঁচটি মামলা করা হয়েছে। মামলার অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন আপন জুয়েলার্সের তিন মালিক দিলদার আহমেদ সেলিম, গুলজার আহমেদ ও আজাদ আহমেদ। আজ শনিবার মামলা করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মইনুল খান বলেন, আজ গুলশান থানায় দুটি এবং ধানমন্ডি, রমনা ও উত্তরা থানায় একটি করে পাঁচটি ফৌজদারি মামলা করা হয়। শুল্ক গোয়েন্দার পাঁচজন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা এম আর জামান বাধন, বিজয় কুমার রায়, মো. শাহরিয়ার মাহমুদ, মোহাম্মদ জাকির হোসেন ও মো. আরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাগুলো করেন। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশনার আলোকে মামলাগুলো করা হয়েছে। মুদ্রা পাচার প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধনী ২০১৫) এর ধারা ২ (ঠ) এবং কাস্টমস অ্যাক্ট, ১৯৬৯ এর ধারা ১৫৬(৫) অনুযায়ী শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর মামলাগুলোর তদন্ত করবে।

এর আগে আপন জুয়েলার্সের বিরুদ্ধে শুল্ক-কর ফাঁকি দিয়ে চোরাচালানের মাধ্যমে স্বর্ণালংকার মজুত করার অভিযোগে দ্য কাস্টমস অ্যাক্ট, ১৯৬৯ অনুযায়ী ঢাকা কাস্টম হাউসে পাঁচটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

বনানীর একটি হোটেলে ধর্ষণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রাথমিক অনুসন্ধানের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আপন জুয়েলার্সের ৫টি শোরুম থেকে প্রায় ১৫ মণ স্বর্ণ ও ডায়মন্ডের অলংকার উদ্ধার করে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেওয়া হয়।