প্রধানমন্ত্রীর ‘নির্বাচিত ১০০ ভাষণ’ সব সরকারি দফতরে রাখার নির্দেশহাসপাতালে মাহমুদ আব্বাসবগুড়ায় ছাগলে ধান খাওয়ার জেরে বৃদ্ধাকে হত্যাবাঁচা-মরার লড়াইয়ে মুম্বাইয়ের টার্গেট ১৭৫ভাসমান পরমাণু স্থাপনা দিয়ে কী করবে রাশিয়া?
No icon

৭ খুন মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ হচ্ছে না কেন?

নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুনের চার বছর পূর্ণ হলো আজ শুক্রবার। গত বছরের ২২ আগস্ট উচ্চ আদালত এ মামলায় মূল অভিযুক্ত নূর হোসেন, র্যাবের সাবেক কর্মকর্তা তারেক সাঈদসহ ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১১ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলেও ৮ মাসেও প্রকাশিত হয়নি পূর্ণাঙ্গ রায়। এ অবস্থায় নিহতের স্বজনরা হতাশা প্রকাশ করেছেন।
২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল অপহৃত হন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন তৎকালীন প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ ৭ জন। তিনদিন পর শীতলক্ষ্যা নদীতে ভেসে উঠে তাদের লাশ। নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের বিচার শেষে র্যাবের তৎকালীন তিন কর্মকর্তা, তারেক সাঈদ, এমএম রানা, আরিফ, নূর হোসেনসহ ২৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত।

এ রায়ের বিরুদ্ধে আসামিরা আপিল করলে গত বছরের ২২ আগস্ট ১৫ জনকে মৃত্যুদণ্ড, ১১ জনকে যাবজ্জীবন ও ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেন উচ্চ আদালত। কিন্তু উচ্চ আদালতের রায়ের আটমাস পার হলেও প্রকাশ হয়নি রায়ের পূর্ণাঙ্গ কপি। ফলে থমকে আছে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া।
এমতাবস্থায় ক্ষোভ প্রকাশ করে নিহতের স্বজনরা শেষ পর্যন্ত ন্যায় বিচার পাওয়ার ব্যাপারে সংশয় প্রকাশ করেছেন।
আর মামলাটি চূড়ান্ত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নিতে সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন বাদীপক্ষের আইনজীবীরা।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন বলেন,আমরা আশা করি, সরকার এবং অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিস জনগণের পালস বুঝতে পারবে। মামলাটি যাতে বিলম্বিত না হয়, সেটার দিকে রাষ্ট্রপক্ষ খেয়াল রাখবে এ প্রসঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলম জানান, সর্বোচ্চ আদালতেও দণ্ড নিশ্চিতে আইনি লড়াই চালাবেন তারা।

তিনি বলেন, যেহেতু এটা অস্বাভাবিক ধরনের অপরাধ এবং অনেক গুরুত্বপুর্ণ আসামি এতে জড়িত, সেজন্য হয়তো বিচারপতিরা এটাকে ফাইনালাইজড করার জন্য সময় নিচ্ছেন।

কোনও আদালতের রায়ে ক্ষুব্ধ হলে রায়ের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আদালতে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা সেই সুযোগ নিলে সাতখুন মামলাটি চূড়ান্ত নিষ্পত্তিতে দীর্ঘ সময় লাগবে বলে আইনজীবীদের ধারণা।
তবে সংশ্লিষ্ট সবার দাবি, দণ্ডিতদের দ্রুত শাস্তি কার্যকরে যেন রাষ্ট্র সচেষ্ট হয়।