হজের বিমান ভাড়া ১০ হাজার টাকা কমলইমরান খান ৫ বছর পূর্ণ করতে পারবে না: জারদারিলাকসামে বাস-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২আরও ছয় মামলায় গ্রেফতার সোহেল, একটিতে রিমান্ডেহঠাৎ রাজনীতিতে আসা প্রসঙ্গে মুখ খুললেন নায়িকা মৌসুমী
No icon

উচ্চশিক্ষায় ৩৮ লাখ শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪২ শতাংশই নারী

রাজধানীতে আয়োজিত এক কর্মশালায় বক্তারা বলেছেন, বর্তমানে ৩৮ লাখ শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করছেন। এর মধ্যে ৪২ শতাংশই নারী। এই সংখ্যাকে ৫০ ভাগে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। তবে শুধু উচ্চশিক্ষার সম্প্রসারণই নয়, এর মানোন্নয়নেও বদ্ধপরিকর সরকার। বর্তমান সরকারের সময়েই উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে একটি পৃথক প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে, যা সফলভাবে সমাপ্তির পথে রয়েছে। খুব শিগগিরই উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে আরও বৃহৎ প্রকল্প আসছে। বুধবার রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন প্রকল্প (হেকেপ) আয়োজিত ওই কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর ঘাটতির কারণে নতুন জ্ঞান সৃষ্টিতে বিশ্বদ্যালয়গুলো কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন করতে পারেনি। কিন্তু বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর উচ্চশিক্ষা মানোন্নয়ন প্রকল্প নামে উচ্চশিক্ষা খাতে প্রথম প্রকল্প গ্রহণ করে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আধুনিক শিক্ষা ও গবেষণা পরিচালনার মাধ্যমে বেশকিছু উদ্ভাবন সম্ভব হয়েছে যা সারা বিশ্বে সুনাম অর্জন করেছে।

দিনব্যাপী কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান সভাপতিত্ব করেন।

এতে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ইউসুফ আলী মোল্লা, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মাহামুদ-উল হক ও বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র অপারেশনস অফিসার ড. মোখলেসুর রহমান।

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন হেকেপ প্রকল্প পরিচালক ড. গৌরাঙ্গ চন্দ্র মোহান্ত।

সভাপতির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, উচ্চশিক্ষা মনোন্নয়ন প্রকল্প উচ্চশিক্ষা খাতের দৃশ্যপটে বদলে দিয়েছে। প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যবহারের পরিমাণ ৯৯ শতাংশ, যা বাংলাদেশের যে কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য বিরল ঘটনা।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষক, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ও হেকেপের কর্মকর্তা ও কনসালট্যান্টরা উপস্থিত ছিলেন।